ব্লগ বা নিশ সাইট-এ কন্টেন্ট লিখার কৌশল

SEO content

Last Updated on

কিভাবে ব্লগ বা নিশ সাইট-এ কন্টেন্ট লিখবেন ?

একটি ব্লগ বা নিশ সাইট এ কন্টেন্ট আপনি নিজে বা অন্য কাউকে দিয়ে লিখতে পারেন। আমার বাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি কষ্ট করে হলেও নিজের সাইট এর কন্টেন্ট নিজে লিখাই ভালো। কারণ এতে করে এসিও সম্পর্কে অনেক খুঁটিনাটি বিষয় গুলো জানা যায়।  যখন আপনার ব্লগ বা নিশ সাইট এর জন্য আপনি নিজেই কন্টেন্ট লিখবেন তখন অনেক গুলো বিষয় মাথায় রাখতে হয়। যা আমি বিস্তারিত আলোচনা করবো।

ব্লগ বা নিশ সাইট এ কন্টেন্ট লিখার জন্য লক্ষণীয় বিষয়সমূহ

প্রথমত, অবশ্যই আপনাকে ক্যাটাগরি কীওয়ার্ড রিসার্চ করে নিতে হবে তারপর তা থেকে অনন্ত দশটা সাব সেট কীওয়ার্ড সিলেক্ট করে নিবেন অবশ্যই সবগুলো কীওয়ার্ড রিসার্চ করে নিবেন কোনটার সার্চ ভলিউম কত। এসিও বিশেষজ্ঞদের মতে, সার্চ ভলিউম ৮০০ থেকে ২৫০০ মধ্যে থাকলে ভালো। কীওয়ার্ড রিসার্চ এর ক্ষেত্রে যে সকল টুল ব্যবহার করবেন তা আপনারা কীওয়ার্ড  রিসার্চ  থেকে দেখে নিবেন।

কত ওয়ার্ড এর কন্টেন্ট লিখবো?

এই প্রশ্নটা কমন, কত ওয়ার্ড এর কন্টেন্ট লিখতে হয় ? এইখানে বলা বাহুল্য যে, আপনি আসলে কি নিয়ে কাজ করতে চান ? ব্লগ না নিশ সাইট? আমাজন সাইট না টার্গেট গুগল এডসেন্স ? না আপনি এক সাইট এ দুটাই করতে চান ? অনেক গুলো প্রশ্ন এক সাথে হয়ে গেলো আমি একটা একটা করে বিস্তারিত বলবো।

১.কন্টেন্ট এর দৈর্ঘ কেমন হবে ?

বিশেষজ্ঞদের মতে কন্টেন্ট অবশ্যই ১০০০ থেকে ১২০০ শব্দের হতে হবে কিন্তু আপনি অবশ্যই আপনার কম্পেটিটরদের কন্টেন্ট দৈর্ঘ দেখে নিবেন। উদাহরণ হিসেবে আপনার কম্পিটেটর কন্টেন্ট দৈর্ঘ যদি হয় ১০০০ শব্দের তবে আপনার কনটেন্ট অবশই ১১০০ থেকে ১২০০ শব্দের হতে হবে কারণ এইখানে রাঙ্কিং ফ্যাক্টর জড়িত এবং কন্টেন্টকে এসিও’র রাজা বলা হয়। সাধারণত কন্টেন্ট  ব্লগ বা নিশ এ একই ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়।

SEO content

২.আমাজন সাইট না ব্লগ সাইট?

আপনি এই দুটার যেটাই করেন না কেন আপনাকে প্রায় একই কাজ করতে হবে আপনি আমাজন বা ব্লগ সাইটের জন্য কন্টেন্ট লিখতে চান তবে অবশই আপনার কম্পেটিটর কনটেন্টটা দেখে নিবেন কত ওয়ার্ডর কন্টেন্ট। আপনাকে অবশ্যই এর থেকে বেশি ওয়ার্ড এর কন্টেন্ট লিখতে হবে।  অবশ্যই সাব হেডিং ও বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করতে হবে। h১ ও h২ হেডিং ব্যবহার করতে হবে। অবশ্যই আপনি কন্টেন্ট এর শুরুটাই চোখ ধাঁধানো হেডিং দিতে হবে উদহারণ হিসেবে আপনার যদি নিশ সাইট হয়, ধরুন আমার প্রোডাক্ট এর নাম Victorinox Bread Knife. এখন এর জন্য আপনাকে একটা হেডিং দিতে হবে যেন সেটা চোখ ধাঁধানো বা ক্লিকেবল হয়। যেমন – Why Victorinox Bread Knife is the best in the market? এই কথাটা h১ হেডিং এ রাখবেন এবং বাকি কথাগুলো আপনি সাবহেডিং ও বুলেট পয়েন্ট আকারে দিবেন।

কন্টেন্ট-এ কীওয়ার্ড ঘনত্ব

কীওয়ার্ড এর আদর্শ অনুপাত হচ্ছে ০.৫% অর্থাৎ ১০০০ ওয়ার্ড এর কন্টেন্ট-এ সর্বোচ ৫ বার। আর আপনি ইচ্ছে করলে LSI কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন যা কি না আপনি গুগল করলে নিচের দিকে রিলেটেড রেজাল্ট বা সার্চ বাক্স এ সাজেস্টেড রেজাল্ট গুলো থেকে নিতে পারেন।  এছাড়াও আপনি Answerthepublic.com থেকেও LSI কীওয়ার্ড নিতে পারেন।

আপনার কন্টেন্টটা  রেডি পাবলিশ করার জন্য কিন্তু কাজ এখনো শেষ হয় নাই, আপনি আপনার কন্টেন্টটার  plagiarism টা টেস্ট করে নিতে পারেন এই জন্য আপনি seo small tools  ব্যবহার করতে পারেন বা copy scrape এর মাধ্যমে আপনি ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট কি না তা এক বার চেক করে নিবেন। কারণ এই plagiarism বা ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট এর জন্যই আপনি গুগল পেনাল্টি খেয়ে যেতে পারেন।

আমি চেষ্টা করলাম একটা কন্টেন্ট কি করে লিখতে হয় এবং কি বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হয় তা সব আলোচনা করার জন্য। কোনো ভুল থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

 

Leave a Reply