চাকরি না ফ্রিল্যান্সিং? কোনটি সম্মানের?

Job or Freelancing

“চাকরি অনেক সম্মানের & সহজ ও। সবার উচিত আগে চাকরি খোজা, না পেলে বা পাওয়ার পরে অফ টাইমে ফ্রিল্যান্সিং করা।” –  ফ্রিল্যান্সিং এর নাম শুনলে আমাদের সমাজের কিছু মানুষের মন্তব্য অনেকটা এমন হয়ে থাকে।

তাদের উদ্যেশ্যেই আজ আমার এই লিখা।

ভুল থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

আপনি ফ্রিল্যান্সিং কি বুঝেন? এটা একটা বিজনেস! কোন লোকাল বিজনেস না, বরং ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস! ওয়ার্ল্ড ওয়াইড।

আমাদের ক্লায়েন্ট কে জানেন? ইউ এস, অস্টেলিয়া, কানাডার মত দেশের রেপুটেটেড কোম্পানীর ম্যানেজার, সিইও, ডিরেক্টর এরা হল আমাদের কাস্টমার!

চাকুরী করে এদের সাথে কথা বলা তো দুরের কথা এদের নামও জীবনে জানতে পারবেন কিনা সন্দেহ আছে!

হ্যা এই এরাই আমাদের কাছে এসে লাইন ধরে, আমাদের থেকে সার্ভিস নেয়ার জন্যে! আমাদের সময়ের জন্য তারা বসে থাকে। কাজ শেষে ছোট খাট কোন চেঞ্জ লাগলেও তারা এর জন্য ক্ষমা চায়। এটাই আমাদের রেপুটেশন যে তারা এত বড় বড় মানুষ হয়েও আমাদের সম্মান করে।

বিদেশের কোম্পানিগুলোর বস, ম্যানেজারেরা এসে আমাদের সম্মান দিয়ে কথা বলে। এর থেকে সম্মানীয় আর কি হতে পারে? দেশের কথা বলবেন, মানুষ ফ্রিল্যান্সিং পেশাকে এতটা এর দাম দেয় না!

আরে ভাই যে সহজ ভাষায় না বুঝে তাকে মূল বিষয়টা বুঝিয়ে বলুন। তাকে ফ্রিল্যান্সিং এর ভাষায় না বলে বিজনেস এর ভাষায় বলুন। কারন সে তো ফ্রিল্যান্সার না, তাহলে ফ্রিল্যান্সিং এর ভাষা বুঝবে কি করে?

ওই উনাকেই যখন আপনি বলবেন যে দেশের বাইরে কোম্পানিদের সাথে আমি বিজনেস করি। আমি তাদের কোম্পানির জন্যে সার্ভিস দেই। তারা টাকা ট্রান্সফার করে দেশে পাঠিয়ে দেয়।

ব্যাস, দেখবেন উনিই তখন আপনার সঙ্গে সম্মানের সুরে কথা বলবে। কারন বিজনেস কি জিনিস এটা নিশ্চই কাউকে বুঝানোর কিছু নেই। আর দেশের বাইরে বিজনেস থাকা মানে রেপুটেশন নিয়ে কথা বলার প্রশ্নই আসে না।

কাজেই ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে না জেনেই হুট করে কোন মন্তব্য করবেন না।

ধন্যবাদ সবাইকে 🙂

Leave a Reply