এসইও’র ১০টি কার্যকরী টিপস

এসইও তে ভুরি ভুরি টিপস আছে কিন্তু আশা করি আজকের টিপস আপনাদের সত্যিকরি অনেক অনেক উপকার এ আসবে।  দেরি না করে নিচের টিপসগুলো পড়ে নিন;      

১০টি কার্যকরী টিপস

১) আপনার এক্সিস্টিং কনটেন্ট ইমপ্রোভ করুন মিসিং সাব-হেডিং অ্যাড করে

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কনটেন্টগুলি নিখুঁত হয় না। আপনি প্রায় গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলি মিস করবেন, যা সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাঙ্ক করার জন্য আপনার পোস্ট বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে।
সুতরাং আপনি এখানে যা করতে পারেন তা বলছি;

ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে:
আপনি ম্যানুয়ালি কনটেন্ট গ্যাপ বের করতে পারেন। তার জন্য প্রথমে আপনি USA লোকেশন এ যেয়ে গুগল সার্চ বার এ কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিয়ে টপ ৫ কম্পিটিটর এর সাব হেডিং গুলা নোট করে ফেলেন তারপর দেখেন আপনার সাথে ম্যাচ করে কিনা ? মিসিং গুলা দিয়ে দ্রুত কনটেন্ট আপডেট করে ফেলেন।
লোকেশন চেঞ্জ কিভাবে করতে হয় সেইটা জানা না থাকলে এই পোস্টটি পড়তে পারেন; https://www.facebook.com/groups/seobynshamim/permalink/2776708325899783

Ahrefs:
Ahrefs যাদের আছে তারা কনটেন্ট গ্যাপ এ যেয়ে “show keyword that the targets rank for” এই সেক্শনে যেয়ে আপনার টপ টেন সাইট অ্যাড করবেন। “But the target keyword doesn’t rank for” এই সেক্শনে আপনি নিজের পোস্ট এর ইউআরএল দিয়ে show keyword এ ক্লিক করলেই আপনাকে Ahrefs কনটেন্ট গ্যাপ বের করে দিবে। এইবার আপনি কনটেন্ট ইম্প্রোভ করে ফেলেন।

Frase/SerfurSEO/Marketmuse
আপনি চাইলে frase/SerfurSEO/Marketmuse দিয়েও কনটেন্ট গ্যাপ বের করে নিতে পারেন। যারা এই টুলস গুলা দিয়ে কনটেন্ট গ্যাপ বের করতে পারেন না তারা এই লিংকের ভিডিওটা দেখে নেন; https://nshamim.com/marketmuse-review/https://nshamim.com/frase-io-review/

২) নতুন পেজ/পোস্টগুলিতে ইন্টারনাল লিঙ্কগুলি যোগ করুন

ইন্টারলিংক আপনার সাইট এর এক পেজ থেকে অন্য পেজ এ লিংক করতে সাহায্য করে। যাতে ভিসিটর এক পেজ থেকে অন্য পেজ এ সহজেই নেভিগেট করতে পারে। তাছাড়া সার্চ ইঞ্জিন এংকর টেক্সট এর মাধ্যমে প্রসঙ্গ বুঝতে সক্ষম হয়ে থাকে।
ইন্টারলিংক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই পোস্টটি পড়তে পারেন; https://www.facebook.com/groups/seobynshamim/permalink/2777462655824350

৩) বছরে একবার হলেও কনটেন্ট অডিট করুন

আপনার কনটেন্ট গুলা বছরে একবার হলেও অডিট করে ফেলেন। অনেক সময় দেখা যায় এমন অনেক কনটেন্ট থাকে যেটা হয়তো আপনার সাইট এর সাথে রিলেভেন্ট না বা কনটেন্ট কোয়ালিটি একেবারেই খারাপ যেটা আসলে কোনো কাজেই আসছে না। সেই রকম কনটেন্ট গুলা যদি গুরুত্বপূর্ণ না হয় অর্থাৎ যেইগুলা দিয়ে আপনি যদি কোনো এফিলিয়েট লিংক না করা থাকে তাহলে হয় ঐগুলা বাদ দেন না হয় পুরা কনটেন্টটা আবার ইমপ্রোভ করুন।
কনটেন্ট অডিট এর জন্য এই পোস্টটি পড়তে পারেন; https://www.facebook.com/groups/seobynshamim/permalink/2850851831818765

৪) ভিডিও হিসাবে ব্লগ পোস্ট পুনঃপ্রকাশ করুন

মানুষ ব্লগ পোস্টের পাশাপাশি ভিডিও কনটেন্ট দেখতে স্বাচ্ছন্দবোধ করে। তাই আপনার গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট গুলাকে ব্লগপোস্ট এর পাশাপাশি ভিডিও কনটেন্ট হিসেবে পুনঃপ্রকাশ করলে ভালো ফলাফল পাবেন। উদাহরণ হিসেবে দেখবেন Backlinko; Ahrefs blog, investopedia তাদের কনটেন্ট এ নিজেদের ভিডিও পোস্ট করে থাকে একই পোস্টে একই টপিকে।

৫) পোস্ট অনুযায়ী রিলেভেন্ট HARO তে সাড়া দেন

HARO একটি সার্ভিস যা সাংবাদিকদের উৎসের সাথে সংযুক্ত করে। আপনি এইখানে বিনামূল্যে সাইন আপ করতে পারবেন এবং যখন আপনি তা করবেন, তখন আপনি সাংবাদিকদের অনুরোধসহ দৈনিক ইমেল পাবেন।
HARO কিন্তু পাওয়ারফুল ব্যাকলিংক গুলার মধ্যে অন্যতম। HARO সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনি এই পোস্টটি পড়তে পারেন; https://www.facebook.com/groups/seobynshamim/permalink/2854794914757790

৬) নিম্নমানের কনটেন্ট এরজন্য কম্পিটিটর ব্যাকলিঙ্কগুলি পর্যবেক্ষণ করুন

আপনি যদি এখনও আপনার টার্গেট কীওয়ার্ডের জন্য এক নম্বরে র‌্যাঙ্কিং না করে থাকেন তবে তা হতে পারে আপনার কম্পিটিটর আরও ভালো মানের ব্যাকলিংক করেছে। Ahrefs-এর ফ্রি SERP চেকারের মাধ্যমে আপনি তা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
যেই ওয়েবসাইট গুলা আপনার আগে আছে তাদের পেজ/ পোস্ট আপনি Ahrefs-এর ফ্রি SERP চেকারের মাধ্যমে ব্যাকলিংক গুলা চেক করে নিতে পারেন। আপনি কনটেন্ট এর আরো নির্ভুল তথ্য উপাত্ত যোগ করতে পারেন সাথে কিছু ব্যাকলিংক করতে পারেন।

৭) ব্রোকেন লিংক পেজগুলা ফিক্স করুন

ব্রোকেন লিংক আপনার পেজ রাঙ্ক এর ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কাৰণ ঐ লিংক গুলা ৪০৪ পেজকে রিপ্রেসেন্ট করে যার ফরয আপনার পোস্টটি রাঙ্কিং এ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে থাকে। ব্রোকেন লিংক বের করতে আপনি ব্রোকেন লিংক এক্সটেনশনটি ব্যবহার করতে পারেন।
তাই ব্রোকেন লিংক পাওয়ার সাথে সাথে তা ফিক্স করে ফেলা জরুরি। ব্রোকেন লিংক নিয়ে বিস্তারিত পড়তে এই লিংক এ যান; https://www.facebook.com/groups/seobynshamim/permalink/2835580373345911

৮) ইমেজগুলাকে ব্যাকলিঙ্কে রূপান্তর করুন

আপনার সাইটে কাস্টম ইলাস্ট্রেশন বা ইনফোগ্রাফিক থাকলে, অন্যরা তাদের কনটেন্টগুলাতে সেগুলি ব্যবহার করবে এমন সম্ভাবনা খুব বেশি।
বেশিরভাগ সময়, আপনার ইমেজগুলা ব্যবহার করার সময় চিত্রের উৎসের সাথে লিঙ্ক করে, তবে সবসময় তা করে না।
অনেকেক্ষেত্রে দেখা যায় ইমেজ লিংক যে পৃষ্ঠা থেকে এসেছে তার পরিবর্তে সরাসরি ইমেজের সাথে লিঙ্ক করছে।

৯) ক্যাশিং প্লাগইন ইনস্টল করুন

ক্যাশিং ভিসিটরদের জন্য আপনার ওয়েবসাইটের গতি বাড়াতে সহায়তা করে, এবং এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে :
প্রথমত, পৃষ্ঠার গতি মোবাইল এবং ডেস্কটপ উভয়ক্ষেত্রেই একটি রাঙ্কিং ফ্যাক্টর।
দ্বিতীয়ত, পৃষ্ঠা লোডের সময় বাড়ার সাথে সাথে ভিসিটর বাউন্স করার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

১০) প্রাসঙ্গিক পোস্টগুলিতে আপনার ভিডিও এম্বেড করুন

আপনি কি কখনও লক্ষ্য করেছেন যে গুগল সার্চে একটি “ভিডিও” ট্যাব রয়েছে?স্ক্রিনশট: https://prnt.sc/1361xi1

এই ট্যাবের মজার বিষয় হ’ল এটি কেবল ইউটিউব ভিডিও গুলি দেখায় না। এটি প্রাসঙ্গিক ভিডিও এম্বেডসহ ওয়েব ফলাফলের পৃষ্ঠাগুলিও দেখায়।

উদাহরণস্বরূপ, “ব্লগিং” এর জন্য ভিডিও ট্যাবটি একবার দেখুন: https://prnt.sc/1361zhu

আপনার ইমেইলে বাংলায় ইন্টারনেট মার্কেটিং এবং এসইও রিলেটেড লেটেস্ট খবর ও আপডেট পেতে চান? সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

Leave a Comment

Share via
Copy link