ইউটিউব দিয়ে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং। আসুন নতুন কিছু শিখি।

বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিন এর যদি রাঙ্কিং করা হয় তবে গুগল এর পরেই ইউটিউব এর অবস্থান। তাই আপনি যদি আপনার চ্যানেলকে SEO অপ্টিমাইজ করে কোয়ালিটি ভিডিও দিতে পারেন তবে আপনার জন্য এফিলিয়েট করা অনেক সহজ হয়ে যাবে। আর এইদিকে গুগল ও ইউটিউব এর algorithm ও আলাদা তাই গুগলের আপডেট এর অত্যাচার থেকে অন্তত নিস্তার পাবেন।  

গুগলের একের পর এক আপডেট এর কারণে আমাজন এফিলিয়েট করা সাইট গুলার বেশির ভাগ ধরাশায়ী। একটা ওয়েবসাইট দাড় করাতে এত্ত টাকা ইনভেস্ট করার পর যদি আপডেট এ সাইট ধরা খায় বা সাইটটি কীওয়ার্ড রাঙ্ক হয় না অথচ আপনি অনেক টাকা ইনভেস্ট করলেন, আপনার এই সেক্টর নিয়েই অনীহা ও হতাশা চলে আসবে। 

আবার দেখা যায় অনেকের এত্ত টাকাও নাই যে ইনভেস্ট করে ওয়েবসাইট তৈরী করে এক্সপেরিমেন্ট করে ফেল করে করে শিখার। তাই এর একটা সহজ সমাধান হচ্ছে YouTube দিয়ে এফিলিয়েট করা। এতে আপনার ইনভেস্ট খুব একটা লাগবেও না আবার আপনি হতাশও হবেন না। কারণ এইখানে শুধু আপনার শ্রম ও সময় জড়িত তেমন একটা ইনভেস্টমেন্ট এর দরকার নাই।

তবে নিজের ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট থেকে ইউটিউব ভিডিও তৈরী করলে আপনার স্ক্রিপ্ট বানানোর কষ্টটাও লাগবে না। 

এখন চলুন জেনে নেই কিছু বেসিক বিষয় জেনে নেই;  

ইউটিউব (YouTube) দিয়ে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে “Amazon” এর Amazon Associate বা Amazon influencer Account ২ তা দিয়েই join করতে পারবেন তবে নিচের ২ টা বিষয় মনে রাখবেন;  

১. ইউটিউব এডসেন্স monetization একাউন্ট-এ  Amazon এর এফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করবেন না; কারণ এতে চ্যানেল ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকে।  ইউটিউব এডসেন্স monetization একাউন্ট-এ এফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করা গুগল পছন্দ করে না। যদিও এইটা গুগল সরাসরি কিছু বলে না তবে এইটাই এক্সপেরিমেন্ট এ দেখা গেসে। 

২. অন্যের ভিডিও বা ওয়েবপেজ এর মেটেরিয়াল নিজের নামে বা নিজের Channel এ ব্যবহার করবেন না। যদি এমনটা করেন তাহলে আপনার চ্যানেল ব্যান হতে পারে। 

আপনার ইমেইলে বাংলায় ইন্টারনেট মার্কেটিং এবং এসইও রিলেটেড লেটেস্ট খবর ও আপডেট পেতে চান? সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap