Last Updated on

আপনি কি এসইও তে নতুন? আপনি কি অবাক হচ্ছেন কিভাবে এসইও কাজ করে? এবং ২০২০ সালে এসইও তে কাজ করছে? তাহলে চলুন জেনে নেই।

Contents hide

এসইও কি?

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজ হচ্ছে অর্গানিক সার্চ রেজাল্টস থেকে পসিশন উন্নতির মাধ্যম। যত ভালো পসিশন এ থাকবেন ততো মানুষ আপনার ওয়েবসাইট দেখবে।

৯০ সালের দিকে সার্চ ইঞ্জিন প্রথম যাত্রা শুরু হয়। সেই থেকেই এসইও শুরু হয়েছে। বর্তমানে প্রতিটি ইন্ডাস্ট্রির জন্য এসইও প্রয়োজনীয় মার্কেটিং স্ট্রেটেজি গুলোর মধ্যে অন্যতম।

আপনি যদি এসইও শিখতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই প্রস্তুত থাকতে হবে টেকনিকাল ও এনালিটিক্যাল কাজের জন্য। এসইও তে অনেক রকম টেকনিক আছে কিন্তু সব কিছুর মূলেই হচ্ছে আপনাকে অর্গানিক সার্চ রেজাল্টস এ উপরের দিকে থাকা চাই ।

এক কথায় বলতে গেলে, এসইও হচ্ছে সঠিক ওয়েবসাইটটিকে সার্চ কোয়ারি অনুযায়ী সার্চার এর কাছে পৌঁছে দেয়া।

এসইও কি খুব কঠিন?

সার্চ ইঞ্জিন যেমনঃ গুগল, বিং, ইয়াহু তাদের নিজেদের রাঙ্কিং এলগোরিদম ব্যবহার করে থাকে। আমরা কি তাদের রাঙ্কিং এলগোরিদম কিভাবে কাজ করে সেগুলা সুনির্দিষ্ট করতে পেরেছি?

তারমধ্যে গুগল ২০০+ রাঙ্কিং ফ্যাকটর ব্যবহার করে থাকে। যার মধ্যে কোয়ালিটি কনটেন্ট; ব্যাকলিংক ও টেকনিকাল এসইও অন্যতম। আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য সব এসইও ফ্যাক্টর গুলা জানা না থাকলেও চলবে। তবে এসইও বুঝতে আমি আপনাদের একটি উদাহরণ দিচ্ছি; ধরুন একটি বোল এ সূপ আছে। এইখানে আপনি ৩ টি বিষয় লক্ষ্য করুন

১) বোলটি টেকনিক্যাল এসইও হিসেবে রিপ্রেসেন্ট করছে। বোলটি ছাড়া সূপ কিন্তু টেবিলে ছড়িয়ে পড়বে।

২) সূপ হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট এর কনটেন্টকে বুঝাচ্ছে। খারাপ কনটেন্ট = রাঙ্ক পাবে না।

৩) স্যুপের উপর উপাদান হচ্ছে ব্যাকলিংক যার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটকে অথরিটি ওয়েবসাইট হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়।

সার্চ ইঞ্জিন ইউসার সার্চ ইন্টেন্স দেখে রাঙ্ক দিয়ে থাকে আপনি যদি ওই সার্চ ইটেন্স অনুযায়ী ব্লগ, প্রোডাক্ট রিভিউ করে থাকেন ও তা যথাযথ অপ্টিমাইজ হয় তবে সার্চ ইঞ্জিন আপনার ঐ কনটেন্টকে রাঙ্ক করাবে।

কিভাবে আপনি এসইও শিখবেন? কারো কি সাহায্যের প্রয়োজন?

আপনি যদি ২০২০ সালে এসইও শিখতে চান তাহলে আপনাকে পড়াশুনার পাশাপাশি প্রাকটিস করতে হবে। আপনি অনলাইনে অনেক রিসৌর্স পাবেন এসইও শিখার জন্য। কিন্তু আপনাকে তো আগে জানতে হবে কোন জায়গা থেকে শুরু করতে হবে? তাই অনলাইন এর রিসৌর্স এর পাশাপাশি আপনি কোর্স করে নিতে পারেন। কোর্স করলে সুবিধা হচ্ছে আপনি সব কিছুই গোছানো পাচ্ছেন।

কিভাবে সার্চ ইঞ্জিন কাজ করে?

সার্চ ইঞ্জিন ৩ টি ধাপে কাজ করে

১) ক্রলিং

২) ইনডেক্সিং

৩) ফলাফল প্রদান

ক্রলিং:

প্রথম ধাপে, ওয়েবসাইটের দেয়া সাইটম্যাপ অনুযায়ী, সার্চ ইঞ্জিন তার রোবর্ট পাঠায় পেজ বা পোস্টে। গুগল,বিং,ইয়াহু যথাক্রমে গুগল বট , বিং বট, ইয়াহু বট বলে থাকে। দ্বিতীয় ধাপে, রোবট আপনার ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট বা পেজ বা পোস্টকে ক্রল করে নিবে। সার্চ ইঞ্জিনএর রোবট ক্রল করে সকল ইনফরমেশন ডাটাবেস এ রাখে। গুগলবোট হলে গুগল এর ডাটাবেস এ রাখে। আপনি পেজের কোনো আপডেট করার সাথে সাথেই ক্রলার বা স্পাইডার ক্রল করে নেয়।

ইনডেক্সিং :

সার্চ ইঞ্জিনের রোবর্ট ক্রল করা মানেই পেজকে ইনডেক্স করে নেয়া। খুব সহজেই বলতে গেলে, ধরুন আপনার একটি খাবারের দোকান আছে এখন আপনি সকল খাবারের মূল্য তালিকা করে রাখাটাই ইনডেক্সিং।

ফলাফল প্রদান :

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী যখন সার্চ বারে কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে তখন সার্চ ইঞ্জিন বোট তার ডাটা বেস ইনডেক্স করা লক্ষ লক্ষ সার্চ রেজাল্ট থেকে ঐ কীওয়ার্ড এর রিলেভেন্ট রেজাল্ট গুগল আলগোরিদমের মাধ্যমে সার্চার এর সামনে নিয়ে আসে।

এসইও’র যেসকল বিষয় আপনাকে জানতে হবে:

কীওয়ার্ড :

কীওয়ার্ড হচ্ছে আপনি যে শব্দ/টার্ম দিয়ে গুগলে সার্চ দেন ঐ কীওয়ার্ড ধরে গুগল লক্ষ লক্ষ্য ওয়েবসাইট থেকে আপনার সার্চ ইন্টেন্স অনুযায়ী রেজাল্ট শো করে। সার্চ করা শব্দর নাম হচ্ছে কীওয়ার্ড

কেন কীওয়ার্ড রিসার্চ প্রয়োজন?

আপনার নিস অনুযায়ী ভালো সার্চ ভলিউম এর কীওয়ার্ড খুঁজে বের করাতে পারলে, আপনি ভালো ট্রাফিক পাবেন পাশাপাশি আপনার নিস ব্যবসা বা গুগল এডসেন্স ব্যবসাও ভালো করতে পারবেন। আসলে সব কিছুর মূলেই হচ্ছে ভালো কীওয়ার্ড রিসার্চ। আপনাকে এমন কীওয়ার্ড খুঁজে বের করা লাগবে যাতে ঐ কীওয়ার্ড আপনার নিস অনুযায়ী লো-কম্পেটেটিভ হয়ে থাকে। লো-কম্পেটেটিভ কীওয়ার্ড সহজেই রাঙ্ক করতে পারে তাই এমন কীওয়ার্ড খুবই গুরুত্তপূৰ্ণ।

চলুন জেনে নেই কিভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ করবেন?

স্টেপ-০১: প্রথমেই আপনার নিস নিয়ে স্টাডি করেন। যদি ব্লগিং সাইট হয় তাহলে alltop বা গুগল নিউস থেকে নিস আইডিয়া নিতে পারেন আর যদি আমাজন সাইট হয় তবে amazon.com এর ফুল ডিরেক্টরি থেকেই আপনি নিস নিয়ে স্টাডি করতে পারেন।

স্টেপ-০২: আপনি লক্ষ্য স্থির করুন কোন নিস নিয়ে আগাবেন সাথে আপনি আপনার রিলেভেন্ট টপিক নিয়ে একটি লিস্ট তৈরী করে ফেলুন।

স্টেপ-০৩: আপনি সীড কীওয়ার্ড এর লিস্ট তৈরী করে ফেলুন সাথে আপনি মানুষের সার্চ ইন্টেন্স বুঝার চেষ্টা করুন। সার্চ ইন্টেন্স বুঝার জন্য আপনি buzzsumo ব্যবহার করতে পারেন।

স্টেপ-০৪: কীওয়ার্ড হিসেবে লং-টেইল কীওয়ার্ড নেন যাতে কম্পিটিশন কম থাকে। তার জন্য ম্যানুয়ালি ও টুলস দিয়ে কীওয়ার্ড গুলা চেক করে নেয়া দরকার। এর জন্য যেসব টুলস ব্যবহার করবেন; Ahrefs, SEMrush, keyword everywhere, keyword Surfer, Ubbersuggest

অনপেজ এসইও:

অন-পেজ এসইও করার কারণ হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটটি যাতে কোনো সমস্যার সম্মখীন না হয়। ঠিকথাক অন-পেজ করা থাকলে আপনার ওয়েবসাইটটি ভালো করবে ও আপনি ভালো পরিমান ভিসিটর পাবেন।

চলুন জেনে নেই অন-পেজ এসইও তে আপনাকে কি কি জানতে হবে ?

১) একটি ভালো হেডলাইন তৈরী করুন :

ভালো হেডলাইন এর কোয়ালিটি যেমন থাকা চাই;

-মানুষ টাইটেলটি পড়তে চাইবে এমন

-প্রথমেই প্রাইমারি কীওয়ার্ড থাকবে

-সাথে সাপোর্টটিভ কীওয়ার্ড থাকবে।

যেমনঃ How to make money with Affiliate Marketing

২) ইউআরএল ছোট করা:

আপনার পোস্ট বা পেজের ইউআরএল ছোট রাখলে আপনি SEO’র জন্য বেশ ভালো সুবিধা পাবেন। যেমনঃ on-page-seo-checklist-guideline না দিয়ে আপনি যদি on-page-seo-checklist ব্যবহার করেন তাহলে তা সঠিক ও এটাই সঠিক প্রাকটিস।

৩) ইউআরএল এ কীওয়ার্ড ব্যবহার :

আপনার ইউআরএল এ অবশ্যই মেইন কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। যথা সম্ভব তা ছোট রাখা চাই।

৪) এসইও টাইটেল ও মেটা ডেসক্রিপশন :

এসইও টাইটেল ও মেটা ডেসক্রিপশন আপনার সাইট এর CTR বাড়িয়ে দিবে। যার ফলে আপনি আরো বেশি ট্রাফিক আপনার ওয়েবসাইট এ পাবেন। তার জন্য যেসকল জিনিস মাথায় রাখবেন ;

-এসইও টাইটেল ৬০ ক্যারেক্টর এর বেশি না হওয়া।

-মেটা ডেসক্রিপশন ১৬০ ক্যারেক্টর এর নিচে রাখা বা ১৫৫-১৫৮ ক্যারেক্টর রাখা।

-প্রাইমারি কীওয়ার্ড সবার প্রথমে রাখা ও সাথে সাপোর্টটিভ কীওয়ার্ড টাইটেল এ রাখা।

৫) টেবিল অফ কনটেন্ট :

পোস্ট এর মধ্যে যদি আপনি কনটেন্ট অফ টেবিল রাখেন তবে ইউসারা কনটেন্ট এর শুরুতেই দেখে নিতে পারে কনটেন্ট এ কি কি আছে। এটি আপনাকে SEOতে বাড়তি সুবিধা দিবে। তাই আপনি এর জন্য table of content plus প্লাগিনটি ব্যবহার করতে পারেন।

৬) কনটেন্ট এর নির্দিষ্ট ওয়ার্ড এর মধ্যে কীওয়ার্ড রাখা :

কনটেন্ট এর শুরুতেই আপনার মেইন কীওয়ার্ড প্রথম ১০০-১৫০ ওয়ার্ডস এর মধ্যে অবশ্যই বসাবেন। সাথে h২ তে যদি সম্ভব হয় তাহলে বসাতে পারেন ও শেষে উপসংহারে একবার ব্যবহার করবেন।

৭) কীওয়ার্ড হেডিং টাইটেল এ ব্যবহার :

কনটেন্ট এ অবশ্যই h১ h২ h৩ হেডিং টাইটেল এ আপনার কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। যেমনঃ how to use this SEO checklist এখানে SEO checklist হচ্ছে আমার কীওয়ার্ড।

৮) LSI কীওয়ার্ড ব্যবহার :

কনটেন্ট এ আপনি বার বার মেইন কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন না তাই আপনি কনটেন্ট এর চাহিদা অনুযায়ী LSI কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন। LSI কীওয়ার্ড এর জন্য আপনি LSI graph; Ubersuggest বা keyword everywhere ব্যবহার করতে পারেন।

৯) কীওয়ার্ড ডেনসিটি :

কনটেন্ট এ আপনি ১০০০ ওয়ার্ডস এ ১ বার বা ২ বার মেইন কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন।

১০) ইমেজ অপ্টিমাইজ :

ইমেজ আপনি height ৬০০* width ১২০০ কিন্তু ১০০ kb এর নিচে ইমেজ রাখবেন। তার জন্য আপনি ইমেজ কম্প্রেস করে kb কমিয়ে নিয়েন। ইমেজ কমপ্রেস করার জন্য আপনি wp smesh প্লাগিন ব্যবহার করতে পারেন।

১১) ইমেজ alt ট্যাগ :

ইমেজ এ অবশ্যই alt ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে।

১২) এক্সটার্নাল লিংক :

এক্সটার্নাল লিংক দিবেন অথরিটি ওয়েবসাইট যেটা আপনার কীওয়ার্ড অনুযায়ী মানানসই হয়। এক্সটার্নাল লিংক এর ক্ষেত্রে ৫-৮ তা সাইটকে লিংক দিবেন।

১৩) ইন্টারনাল লিংক :

ইন্টারনাল লিংক এর ক্ষেত্রে এমন ওয়ার্ড দিয়ে ইন্টারলিংক করেন যাতে সার্চ ইঞ্জিন বুঝতে পারে ঐ ওয়ার্ড এর একটি কনটেন্ট আপনার ওয়েবসাইট এ আছে। যেমনঃ অফপেজ এসইওকে আপনি যদি ইন্টারনাল লিংক করেন তাহলে সার্চ ইঞ্জিন বুঝে নেয় অফ পেজ এসইও দিয়ে আপনার একটি কনটেন্ট আছে। তাই ইন্টারলিংক এর ক্ষেত্রে এই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

কনটেন্ট:

বর্তমানে এসইও করতে গেলে দরকার ব্লগ/সাইট এ কনটেন্ট। তাই আপনাকে ভালো রাঙ্ক পাবার জন্য ভালো কনটেন্ট দরকার। চলুন জেনে নেই কনটেন্ট এ কি কি দরকার;

১. কি-ওয়ার্ড:

কীওয়ার্ড অবশ্যই আপনি প্রথম ১০০/ ১৫০ ওয়ার্ডস এর মধ্যে রাখতে হবে। সাথে মেটা ডেসক্রিপশন ও মেটা টাইটেল ও ইউআরএল এ রাখবেন। কনটেন্ট বডিতে ১০০০ ওয়ার্ডস এ ২ বারের বেশি রাখা যাবে না।

২. মৌলিকত্ব:

কনটেন্ট অবশ্যই ১০০ ভাগ ইউনিক হতে হবে। কোনো ভাবেই কপি কনটেন্ট হওয়া যাবে না।

৩. কনটেন্ট সাইজ:

কনটেন্ট সাইজ অবশ্যই আপনার কম্পেটিটর থেকে বেশি হতে হবে। তবে কনটেন্ট বড় করতে যেয়ে হাবিজাবি কথা ঢুকাবেন না।

৪. ইন্টারনাল ও এক্সটার্নাল লিংক :

অবশ্যই কনটেন্ট এ আপনার যেসকল পোস্ট বা পেজ সাতে রিলেভেন্ট আছে ঐ সকল পেজ বা পোস্ট এ ইন্টারনাল লিংক করতে হবে।

এক্সটার্নাল লিংকের ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই রিলেভেন্ট সাইট এ লিংক দিবেন।

৫. ট্যাগ :

কনটেন্ট এ অবশ্যই h১, h২, h৩ ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে। ট্যাগে সম্ভব হলে কীওয়ার্ড রাখবেন।

৬. ইমেজ অপ্টিমাইজ:

ইমেজ অপ্টিমাইজ বলতে আপনি অবশ্যই ইমেজ এ alt tag দিবেন।

টেকনিকাল এসইও

টেকনিকাল এসইও আপনার রাঙ্কিং এর বড় ফ্যাক্টর। যদিও টেকনিকাল এসইও খুব একটা কঠিন বিষয় নয়। আজ আপনারদর সাথে টেকনিক্যাল SEO চেকলিস্ট দিবো ও তা নিয়ে আলোচনা করবো;

১) Crawl Error থাকা :

ক্রল এরর থাকা মানেই হচ্ছে গুগল আপনার সাইট এর কোনো পেজ বা পোস্ট দেখতে পাচ্ছে না। যদি গুগল আপনার কোনো পেজ বা পোস্টে ঢুকতে না পারে তবে ঐ পেজ বা পোস্ট কখনোই রাঙ্ক করবে না।

২) খুঁজে বের করা কিভাবে গুগল আপনার ওয়েব পেজ দেখে :

মাঝে মধ্যে ভিসিটর আপনার সাইট এর পেজ দেখতে পারে কিন্তু গুগল তা পারে না। যদি এমনটি হয়ে থাকে তাহলে গুগলে আপনার পেজ রাঙ্ক করবে না।

তাই আমি আপনাদেরকে গুগল সার্চ কনসোল এ “Inspect URL” ফীচারটি ব্যবহারে রেকমেন্ড করছি। আপনি আপনার পেজটি গুগল সার্চ কনসোল এ “Inspect URL” এ দিয়ে চেক করে নিতে পারেন আপনার গুরুত্বপূর্ণ পেজটি গুগল এ ইনডেক্স আছে কি না?

GSC তে ইউআরএল দেয়ার পর যদি “URL is on Google” এই মেসেজ আসে সাথে coverage এ “Submitted and index” লিখা আসবে।

৩) নিশ্চিত করুন আপনার ওয়েবসাইটটি মোবাইল ফ্রেন্ডলি কি না?

গুগল সার্চ কনসোল এ Mobile First Index নামে একটি অপশন চালু আছে। তার মানে আপনার সাইটটি যদি মোবাইল এ অপ্টিমাইজ না হয় তবে গুগল এ রাঙ্ক করতে সমস্যায় পড়বেন।

এটি জানার জন্য আপনি google mobile friendly test দিয়ে চেক করে নিতে পারেন।

৪) ব্রোকেন লিংক :

ব্রোকেন লিংক আপনার এসইও কে আসলেই বেশ ক্ষতি করে থাকে। তাই আপনি অবশই ব্রোকেন লিংক থাকলে ঠিক করে নিবেন। এর জন্য আপনি broken link checker নামের ক্রোম বা ফায়ারফক্স এক্সটেনশনটি ব্যবহার করতে পারেন।

৫) HTTPS এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট নিরাপদ করুন :

HTTPS গুগল রাঙ্কিং সিগন্যাল হিসেবে কাজ করে থাকে। SSL করার মাধ্যমে আপনার সাইট HTTPS কাযকর হয় তাই আপনার সাইটটি যদি SSL না থাকে তবে দ্রুত SSL ব্যবহার করুন। SSL আপনি ফ্রীতেও করতে পারেন বা পেইড SSL কিনে নিতে পারেন বা cloudflare এর মাধমে আপনি ফ্রীতে ব্যবহার করতে পারেন।

৬) পেজ লোডিং স্পিড :

আপনার ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পিড এর উপর রাঙ্কিং নির্ভর করে। আপনার ওয়েবসাইট এর লোডিং স্পিড যদি ভালো না হয় তবে আপনি ভালো রাঙ্ক করতে পারবেন না। তাই গুগলের Lighthouse ফ্রি ক্রোম এক্সটেনশন (https://chrome.google.com/…/blipmdconlkpinefehnmjammfjpmpbj…) দিয়ে পেজ স্পিড দেখে নিন ও প্রয়োজন মতন স্পিড ইস্যু ঠিক করে নিন।

অফপেজ এসইও:

অফপেজ এসইও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েবসাইটকে রাঙ্কিং উন্নতির করার জন্য ও আরো বেশি অর্গানিক ট্রাফিক আনার জন্য আপনি রিলেভেন্ট ওয়েবসাইট থেকে লিংক করবেন বা করাই হচ্ছে অফপেজ এসইও।

চলুন জেনে নেই নতুন হিসেবে আপনি কি কি বিষয় লক্ষ্য করবেন ?

ব্যাকলিংক টাইপ:

সাধারণত ব্যাকলিংক ২ প্রকার:

ডু-ফলো ব্যাকলিংক: এই লিংক এক পেজ থেকে অন্য পেজ এ অথরিটি দিয়ে থাকে। এই অথরিটিকে আবার লিংক জুস  থাকে। 

নো-ফলো ব্যাকলিংক: এই লিংকটি থেকে আপনি কোনো লিংক জুস পাবেন না। মোটকথা, এই লিংক  থেকে আপনি কোনো অথরিটি পাবেন না।            

কোয়ালিটি ব্যাকলিংক দৃষ্টিভঙ্গি:

গুগল বিভিন্ন দৃষ্টি ভঙ্গি থেকে রেফারিং ডোমেইনের কোয়ালিটি বিবেচনা করে থাকে। নিচে তা

দেয়া হলো; 

ডোমেইন অথরিটি

পেজ অথরিটি

অন্যান্য লিংক প্রোফাইল মেট্রিকস যেমন: TF, CF ইত্যাদি।

আপনি যত কোয়ালিটি ব্যাকলিংক করবেন আপনার ব্যাকলিংকের ভ্যালু তত ভালো হবে। তাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক করার চেষ্টা করাটাই আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য ভালো।

রিলেভেন্ট ব্যাকলিংক করা: 

আপনি অবশ্যই ব্যাকলিংক রিলেভেন্ট ও আপনার পোস্ট টপিক অনুযায়ী রাখবেন। ধরুন আপনার ওয়েবসাইট টেক্সটাইল নিয়ে কিন্তু আপনি লিংক করলেন রেসিপি সাইট এ তাহলে ঐ লিংক রিলেভেন্ট হবে না। 

এখন চলুন জেনে নেই লিংক বিল্ডিং স্ট্রেটেজি কিভাবে কাজে লাগাবেন।

লিংক বিল্ডিং স্ট্রেটেজি:

হাই কোয়ালিটি লিংক পাওয়া এতো সহজ নয় যতটা মনে করা হয়। চলুন জেনেনি এখন কোন লিংক বিল্ডিং গুলা কাজ করে;  

১) গেস্টপোস্ট: গেস্ট পোস্ট হচ্ছে সবচাইতে জনপ্রিয় একটি লিংক বিল্ডিং মেথডস গুলোর মধ্যে একটি। লিংক বিল্ডিং এর মধ্যে এটি সবচাইতে পাওয়ার ফুল লিংক বিল্ডিং মেথডস। নিচের পয়েন্ট গুলা মাথায় রাখবেন যখন গেস্ট পোস্ট করবেন; 

১) কখনোই টেমপ্লেট ব্যবহার করবেন না। 

২) ব্যক্তিত্ব বজায় রাখুন   

৩) রিলেভেন্ট ও ভালো রিসার্চ করা টপিক দেয়া। 

২) কম্পেটিটর ব্যাকলিংক:

যদিও সময় সাপেক্ষ কিন্তু খুবই কাযকর একটি মেথডস। এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন  কোন লিংক গুলা কাজ করছে রাঙ্ক করতে। কোয়ালিটি কনটেন্ট এর সাথে রিলেভেন্ট সাইট থেকে ব্যাকলিংক করলে আপনি রাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে বেশ ভালো একটা সুবিধা পাবেন। কম্পেটিটর লিংক গুলা চেক করার জন্য আপনি LinkMiner  অথবা Ahrefs ব্যবহার করতে পারেন। 

কম্পেটিটর লিংক গুলা যেসকল জিনিস চেক করবেন;  

লিংক রিলিভেন্স 

লিংক স্ট্রেন্থ 

লিংক রিপ্লেস করার চান্স কেমন। 

তাছাড়াও যেসকল ব্যাকলিংক টেকনিক  আপনি ব্যবহার করতে পারেন; 

কনটেন্ট বেসড ব্যাকলিংক: আপনার কনটেন্ট যদি ইন-ডেপ্থ টপিক বেসড হয় তবে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া বা অর্গানিক ভাবেই ট্রাফিক তো পাবেন সাথে আপনি   সাইট থেকে ব্যাকলিংকও পেয়ে যাবেন।  

সোশ্যাল ব্যাকলিংক:  সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার কনটেন্ট শেয়ার করে রিলেভেন্ট  কমেন্ট করে বা রিসোর্স শেয়ার করে ব্যাকলিংক পেতে পারেন।    

ব্রোকেন লিংক বিল্ডিং: আপনি এমন কিছু ওয়েবসাইট খুঁজে বের করবেন যেখানে ইনাক্টিভ লিংক আছে তারপর ঐ লিংক গুলা ওয়েবসাইট গুলা খুঁজে বের করে তাদেরকে আপনার কনটেন্ট এ লিংক করতে বলুন।  

বায়িং ব্যাকলিংক: এইটাকে পেইড ব্যাকলিংকও বলা হয়। আপনি যেকোনো টেস্টমনিয়াল বা এক্সিস্টিং পোস্ট থেকে টাকা দিয়ে ব্যাকলিংক কিনতে পারেন।  

Q&A ব্যাকলিংক : quora, yahoo answer ও এমন সাইট গুলাতে আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর রিলেভেন্ট প্রশ্নের উত্তর দিয়ে ও রিসোর্স শেয়ার করে লিংক আনতে পারেন।  

ইউসার ইন্টারফেন্স ও ইউসার এক্সপেরিয়েন্স (UI/UX )

কিভাবে ইউসার ইন্টারফ্যান্স এসইও তে প্রভাব ফেলে?   

ইউসার ইন্টারফেসকে তুলনা করা হয় একটি গাড়ির ইঞ্জিনের মতন। যদি আপনার গাড়ির বডি পোলিসেড ও শাইনি হয়  কিন্ত  যদি তার ইঞ্জিন কোনো কাজেই না করে তবে আপনার সেই গাড়ি দিয়ে কোনো  উপকারেই আসবে না। সেইরূপ ভাবেই, ইউসার ইন্টারফেস আপনার ওয়েবসাইট এবং একই সাথে আপনার ইউসার এক্সপেকটেশনকেও সার্চ ইঞ্জিন এর পারফরমেন্স এ বুস্ট করে থাকে।   

ক্লিন কোড:

ইউসার ইন্টারফেন্স এর মধ্যে সবচাইতে কঠিন স্টেপটি হচ্ছে ক্লিন কোড এর ব্যবহার। ক্লিন কোড থাকলে সার্চ ইঞ্জিন সহজেই ক্রল করতে পারে। যদিও আপনার ইউসার কোডিং এর ব্যাপারে একদম অসতর্ক কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েবসাইট স্ট্রাকচার ও কনটেন্ট কোডিং এর মাধ্যমে সহজেই বুঝতে পারে। যদি আপনার কোড কঠিন ও এলোমেলো হয় তবে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তা বুঝাতাই কঠিন হয়ে হয়ে পরে এবং আপনার ওয়েবসাইট নেগেটিভ ভাবেই নেয় ও এর জন্য আপনার রাঙ্কিং পেনালইজেড হয়ে থাকে। তাছাড়াও আপনার ওয়েবসাইট এর কোড যদি ক্লিন না থাকে তাহলে তা আপনার ওয়েবসাইটকে স্লো করে ফলে ইউসারদের ও সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েবসাইটটি আকর্ষণ হারায়। 

সহজ নেভিগেশন: 

একটি ভালো ডিসাইন করা ইউসার ইন্টারফেন্স আপনার ইউসার যাই খুঁজুক না কেন বা যেকোনো প্রয়োজন সহজেই মিটাতে পারে। যার মানে আপনার কনটেন্ট ও মেনু খুব ভাল ভাবে সাজানো থাকবে যাতে সহজেই নেভিগেট করা যায়। 
গুগল সহজ নেভিগেট ওয়েবসাইটকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে ও সাথে সাইট লিংক গুলাও ইউসারদের অন্য পেজ এ যাবার অনেক সুবিধা দিয়ে থাকে।    

রেস্পন্সিভ ডিসাইন:

আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচারস হচ্ছে রেস্পন্সিভনেস যা এসইওতে ডাইরেক্ট প্রভাব ফেলে। ২০১৮ এরপর থেকে মোবাইল ফ্রেন্ডলি আপডেট আসার পর মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইটকে বিবেচণায় আনে। আপনার ইউসার ইন্টারফেস যদি মোবাইল এর জন্য অপ্টিমাইজ না হয় তবে আপনার ওয়েবসাইট এর এসইও পারফরমেন্স খুব একটা ভালো হবে না। 

ইউসার ইন্টারফেন্সকে কোন বিষয়গুলা অকাযকর করে ?

কোন বিষয় গুলা আপনার ইউসার ইন্টারফেন্সকে একদম নষ্ট করে দিতে পারে ?
যদি আপনার কনটেন্ট সঠিকভাবে অপ্টিমাইজ করা না হয় তবে আপনার ইউসার ও সার্চ ইঞ্জিন দুই জনেই 
বিভ্রান্ত হয়ে পড়বে। তাই কনটেন্ট এ সহজ নেগেশন এর সাথে কনটেক্সট ঠিক রাখাটাও জরুরি।  
অপরদিকে, আপনার ওয়েবসাইট অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেস বা ড্রুপাল দিয়ে তৈরী করবেন? যদি তাই হয় তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে বিভিন্ন প্লাগিন ব্যবহার করতে হবে। আপনি যদি অনেক বেশি প্লাগিন ব্যবহার করেন তাহলে কোডিং ক্লিন নাও থাকতে পারে। তাই ক্লিন কোডিং রাখাটাই জরুরি।

কিভাবে ইউসার এক্সপেরিন্স এসইওতে প্রভাব ফেলে?   

ইউসার এক্সপেরিন্স বলতে, একজন ইউসার আপনার ওয়েবসাইট ভিসিট করার পর ও আপনার কনটেন্ট গুলায় নেভিগেশন করার পর সম্পূর্ণরূপে সন্তুষ্ট থাকাকেই বুঝায়। 
আপনার ওয়েবসাইট যদি ভালো ইউসার এক্সপেরিয়েন্স দিতে পারে তবে ভিসিটর আপনার সার্ভিস বা প্রোডাক্ট অবশ্যই কিনবে। 
বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিন বেশ অ্যাডভান্সড কিন্তু এখনো সার্চ ইঞ্জিন আপনার কনটেন্ট পড়তে ও মূল্যায়ন করতে পারে না তাই সার্চ ইঞ্জিন ইনডিকেটর হিসেবে তার মেট্রিকস ব্যবহার করে ওয়েবসাইট কোয়ালিটি ও কনটেন্ট বুঝার চেষ্টা করে থাকে ও সেটার উপর ভিত্তি করেই রাঙ্ক দিয়ে থাকে। 
এই মেট্রিকস আসলে ইউসার এক্সপেরিয়েন্স এর সাথে খুব কাছাকাছি ভাবে জড়িত। যেমনঃ পেজে সময় ব্যায় করা, বাউন্স রেট, ব্যাকলিংক। মেট্রিকসগুলো ওয়েবসাইট এর ইউসার এক্সপেরিয়েন্স ও ইন্টারফেন্স এর উপর নির্ভর করেই রাঙ্ক দিয়ে থাকে। 

ইউসার এক্সপেরিয়েন্স যেভাবে অবদান রাখে?

মেটা টাইটেল ও মেটা ডেসক্রিপশন

মেটা টাইটেল ও মেটা ডেস্ক্রিপশন যদি ভালো করে কনটেন্টকে ফোকাস করে লিখা হয় তাহলে দুটোই ক্লিক বাড়াইয়ে দিতে পারে। যদি মেটা ট্যাগ খুব একটা ভালো না হয় ও ভিসিটর তেমন ক্লিক না পরে তাহলে সার্চ ইঞ্জিনের ধরে নেয় অপার কনটেন্ট ইউসার ফ্রেন্ডলি না যার ফলে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে নেগেটিভ ইঙ্গিত যায়। যার ফলে আপনি রাঙ্কিং এ পিছিয়ে যাবেন। তাই আপনার মেটা টাইটেল ও ডেস্ক্রিপশনে অবশ্যই মেইন কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন সাথে তা যেন নজরকারা ও আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। 
অন্যদিকে, আপনার টাইটেল ও ডেসক্রিপশন যদি আকর্ষণীয় ও ভ্যালু অ্যাড না করে তবে পাঠক আপনার কনটেন্ট এ ক্লিক করতে কৌতুহলী ও আগ্রহ প্রকাশ করবে না। 

বাউন্স রেট ও ইন্টারলিংকিং:

একবার আপনার ওয়েবসাইট এ ইউসার ঢুকলে যাতে যথাসম্ভব বেশি সময় ব্যয় করে তা নিশ্চিত করা। এটি আপনি সহজেই অর্জন করতে পারেন ভালো মানের কনটেন্ট তৈরী করার মাধ্যমে যাতে আপনার ভিসিটররা তাদের সব ধরণের তথ্যের চাহিদা পূরণ করতে পারে আপনার কনটেন্ট পরে। 
অপরপক্ষে, ইন্টারলিংক স্ট্রেটেজির মাধ্যমে আপনি ভিসিটরকে আপনার অন্য কনটেন্ট এ পাঠাবেন যার মাধ্যমে ভিসিটর বেশি সময় ব্যয় করতে পারে ও বাউন্স রেট কমে আসে। আপনি যদি ভিসিটরকে বেশি সময় আপনার ওয়েবসাইট এ রাখতে পারেন ও বাউন্স রেট কমাতে পারেন তাহলে এইটি এসইও’র দৃষ্টিতে আপনার ওয়েবসাইট পারফরমেন্স অনেক গুন্ বাড়িয়ে দেয়। 

ইনবাউন্ড লিংক:

আপনার কনটেন্ট যদি ইউনিক ও ভ্যালুএবল হয় তাহলে আপনি সহজেই অন্য রিলেভেন্ট ওয়েবসাইট থেকে লিংক পেতে পারেন যা আপনার এসইও পারফরমেন্স অনেক অংশে বাড়িয়ে দেয়। 

স্পিড:

ইউসার এক্সপেরিন্স এর মধ্যে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হচ্ছে ওয়েবসাইট স্পিড। একটি স্লো ওয়েবসাইট ইউসারকে নিরুৎসাহিত করে ভিসিট করতে। যার ফলস্বরূপ এসইও তে আপনার ওয়েবসাইট এর বেশ প্রভাব পরে। 
অন্যদিকে, আপনার কোড যদি অপ্টিমাইজ ও ক্লিন থাকে তাহলে আপনার ওয়েবসাইট স্পিড অনেক বেড়ে যায়। অথবা, আপনার ওয়েবসাইট এর ইমেজ সাইজও যদি বড় থাকে তাহলে তা রি-সাইজ করেও আপনার ওয়েবসাইট এর গতি বাড়িয়ে নেয়া যায়।                  

SEO শিখার জন্য যেসকল ব্লগ অনুসরণ করতে পারেন :

যেসকল ইউটুব চ্যানেল থেকে শিখতে পারেন: