আর্টিকেল রাইটিং (কন্টেন্ট বা ব্লগ পোস্ট ) এর উপায় ও A to Z গাইডলাইন।

ডিজিটাল মার্কেটিং ইন্ডাস্ট্রিতে একটা কথা আছে, “কনটেন্ট ইজ কিং”।

তারমানে, আপনার যদি একটা ডিজিটাল রাষ্ট্র থাকে, তাহলে ঐ রাষ্ট্রের সর্বময় কর্তা হচ্ছে কন্টেন্ট। সাইট ডিজাইন, ব্যাকলিঙ্কস, পেজ স্পিড এইগুলা ঐ রাষ্ট্রের সৈন্য-সামন্ত কিংবা প্রজা। 🙂

আপনার রাজা যদি ঠিক না থাকে; তাহলে কিন্তু ঐ রাষ্ট্র ঠিকঠাক চলবে না।

মূলত, আমাদের সাইটে যদি আমরা ১০০ মিনিট সময় ব্যয় করি; তবে সেখান থেকে মিনিমাম ৬০ – ৭০ মিনিট সময় ব্যায় করা উচিত কন্টেন্ট লিখা এবং অপ্টিমাইজ করার জন্যে।

এই কন্টেন্ট এবং আর্টিকেল নিয়েই আজকের পোস্ট। চলুন জেনে নেই আপনার ব্লগের জন্য কিভাবে আর্টিকেল লিখবেন।

ব্লগ হচ্ছে কনটেন্ট মার্কেটিং স্ট্রাটেজির মূল উপাদান। ব্লগ পাঠককে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করে থাকে যা সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে পাঠক খুঁজে থাকে।

কনটেন্ট মার্কেটিং এর যতগুলো ধাপ আছে, তার মধ্যে ব্লগিং এর গুরুত্ব অনেক। প্রায় সব ক্ষেত্রে ও সব কিছুতেই সার্চাররা প্রাথমিকভাবে ব্লগ এর মাধ্যমে অনলাইন কনটেন্ট থেকে সাহায্য নিয়ে থাকে। এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট এর ট্রাফিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে।

আপনি যখন আপনার ব্লগের জন্য কনটেন্ট লিখবেন তখন আপনাকে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বিবেচণায় রাখতে হবে। উপাদানগুলো নিচে আলোচনা করা হলো;

কন্টেন্ট সেকশন hide

আর্টিকেল এর জন্য নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করবেন?

কনটেন্ট রাইটিং এর জন্য প্রথম স্টেপ হচ্ছে কীওয়ার্ড রিসার্চ। ইউসাররা কি চাইছে সেইটা যদি আপনি নাই জানেন বা কোন টপিক নিয়ে লিখলে পাঠক পরে আদো লাভবান হবে কিনা? তা জানার জন্য আপনাকে কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে।

কন্টেন্ট আইডিয়া জেনারেট করার এই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন।


কীওয়ার্ড রিসার্চ হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজ এর প্রধান সাহায্যকারী যা ইউসারদের সঠিক ইনফরমেশন পেতে সহায়তা করে থাকে।
চলুন জেনে নেই কি করে আপনি কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারেন;

স্টেপ-০১:

  • Save

আপনি ক্রম বা ফায়ারফক্স এর মাধ্যমে কীওয়ার্ড সার্ফার এক্সটেনশনটি অ্যাড করে নিবেন কীওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য। তার জন্য আপনি এই লিংকটি ব্যবহার করুন; https://chrome.google.com/webstore/detail/keyword-surfer/bafijghppfhdpldihckdcadbcobikaca?hl=en

স্টেপ-০২:

  • Save

এক্সটেনশনটি ক্লিক করে “select location” এ যেয়ে আপনার পছন্দ মতন দেশ সিলেক্ট করে দিতে পারবেন।

স্টেপ-০৩:

  • Save

গুগল সার্চ বারে আপনার কাঙ্খিত কীওয়ার্ড দেয়ার সাথে সাথে আপনাকে ঐ কীওয়ার্ড এর সার্চ ভলিউম লোকেশন অনুযায়ী দেখাবে।

স্টেপ-০৪:

  • Save

কীওয়ার্ড এর পাশাপাশি আপনি রিলেটেড কীওয়ার্ড পেয়ে যাবেন ডান পাশে এর মাধ্যমে আপনি অন্যান্য কীওয়ার্ড গুলা থেকে ধারণা নিতে পারেন।

নজরকারা হেডলাইন কিভাবে লিখবেন ?

আপনার আর্টিকেল এর টাইটেল দেখে যাতে ভিসিটর ক্লিক করে তা আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে। Copyblogger এর সূত্র মতে, প্রতি ১০ জনে ৮ জন হেডলাইন দেখেই ক্লিক করে। তাই নজরকারা হেডলাইন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো আর্টিকেল এর জন্য। জেনে নেই কি কি করতে হবে নজরকারা হেডলাইনের জন্য।

১) একের অধিক হেডলাইন লিখুন আপনার আর্টিকেল এর জন্য :

অন্ততপক্ষে ৫ টি হেডলাইন লিখুন আপনার আর্টিকেলের জন্য তারপর সব চাইতে ভালো টাই আপনি বেছে নিন আপনার ব্লগের পোস্টের জন্য। প্রফেশনাল ব্লগাররা এইটাই রেকমেন্ড করে থাকে।

২) নির্ভুল রাখুন:

আপনি যে হেডলাইন বাছাই করেন না কেন ঐটা যেন আপনার পোস্টকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়। নাহলে আপনার কনটেন্ট এ ক্লিক রেট ভালো হবে না। অর্থাৎ ভিসিটর পাবেন না।

৩) টাইটেল সংক্ষিপ্ত রাখুন:

টাইটেল কখনোই লম্বা করবেন না, তাহলে রিডার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। তাই যতটা সম্ভব ছোট ও রিলেভেন্ট টাইটেল রাখুন। টাইটেল ৬-৮ ওয়ার্ডস এর মধ্যে রাখাই ভালো।

৪) ইন্টারোগিটিভ শব্দগুলি ব্যবহার করুন:

How, Who, What, When, Why, When এই সকল প্রশ্নবোধক শব্ধগুলা রিডারদের ক্লিক ও পড়ার ইন্টারেস্ট বাড়িয়ে দেয়। তাই কনটেন্ট এর হেডলাইনে এই সকল ওয়ার্ড গুলো ব্যবহার করুন।

৫) টাইটেল প্রাসঙ্গিক রাখুন:

কনটেন্টের সাথে টাইটেলের প্রাসঙ্গিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টাইটেল যদি অপ্রাসঙ্গিক হয় তবে আপনার পোস্টে ক্লিক পড়বে খুব কম।

৬) পাওয়ার শব্দ ব্যবহার করুন:

পাওয়ার শব্দ গুলা রিডার এর সাইকোলোজিক্যাল ও ইমোশনালভাবে সংযুক্ত করে রাখে। টাইটেলের মধ্যে পাওয়ার শব্দগুলা থাকলে রিডারদের আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয় বহুগুন্। পাওয়ার শব্দগুলো হচ্ছে; Awesome, Incredible, Great, Instantly, Free, New ইত্যাদি।

৭) টাইটেলএ নাম্বার ব্যবহার করুন:

আপনি যদি টাইটেল এ নম্বর ব্যবহার করতে পারেন তাহলে আপনার টাইটেল এর গ্রহণযোগ্যতা পাঠকের কাছে বহুগুন্ বেড়ে যাবে। যেমনঃ 10 best baby walker

একটি আর্টিকেলে কিভাবে ভূমিকা লিখবেন?

আমাদের নজরকারা টাইটেল তো হলো এখন চলুন জেনে নেই কি করে ভালো একটা ভূমিকা লিখবেন? ভূমিকা হচ্ছে রিডারদের ধরে রাখা, আর্টিকেল পড়ার আগ্রহ তৈরী করা ও শেষ পর্যন্ত পড়তে বাধ্য করা। চলুন জেনে নেই কিভাবে ইন্ট্রোডাকশন/ভূমিকা লিখবেন ?

১) প্রশ্ন দিয়ে শুরু করুন:

আগেই বলেছি প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন আর্টিকেল এ থাকলে আপনার রিডার কৌতহলবসতই ঐ আর্টিকেলে আটকে যায়।

অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলাতে রিডার ভালো ভাবে আটকে থাকে উত্তর পাওয়ার জন্য। কারণ রিডার সব সময় ইনফরমেশন চায়।

২) ভূমিকা সংক্ষিপ্ত রাখুন:

মনে রাখবেন ভূমিকা যতটা সম্ভব প্রাসঙ্গিক ও আর্টিকেল এর বিষয়বস্তূ নিয়ে হবে তাই এইটা যতটা সম্ভব সংক্ষিপ্ত রাখা যায়। যেমনঃ ধরুন আপনি যদি ১০০০ শব্দের এর আর্টিকেল লিখেন তাহলে ১০০ ওয়ার্ডস ভূমিকা যথেষ্ট। কিন্তু কোনো ভাবেই ২০০ শব্দের এর বেশি ভূমিকা দিবেন না তা আর্টিকেল যত বড়ই হোক।

৩) উদ্ধৃতি ব্যবহার করুন:

রিডারদের ট্রাস্ট বাড়ানোর জন্য আপনি বিভিন্ন উদ্ধৃতি ব্যবহার করুন। এতে আপনার কনটেন্ট ভ্যালু অনেক বাড়বে সাথে রিডার কনটেন্ট সামনে পড়তে চাইবে।

৪) তথ্য অন্তর্ভুক্ত করুন:

পরিসংখ্যান ও তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার মাধমেও কিন্তু পাঠকের আস্থা তৈরী হয়। তাই আপনার কনটেন্ট এর ভূমিকায় পরিসংখ্যান ও তথ্য যদি যথাযুক্ত পান তাহলে অন্তর্ভুক্ত করুন। সাথে যে সোর্স থেকে পরিসংখ্যান ও তথ্য নিয়েছেন ঐটা উল্লেখ করে দিন।

৫) “কেন” পাঠক আপনার ব্লগটি পড়বে:

আপনার ব্লগ পোস্টটা কি ভ্যালুএবল ইনফরমেশন আছে ? এটি কি পিন পয়েন্ট এ কানেক্ট করে রাখে রিডারকে? আপনার ব্লগ পোস্ট তা রিডারদের জন্য পড়াটা কি মূল্যবান? এই সকল প্রশ্নের উত্তর গুলা যদি আপনার পোস্ট এর ভূমিকায় থাকে তাহলে পাঠক আপনার পোস্টটি পড়বে।

কিভাবে কনটেন্ট এর বডি লিখবেন?

এখন আসুন কনটেন্ট এর আসল পয়েন্ট অর্থাৎ কনটেন্ট বডিতে। যাই হোক, আপনি কনটেন্ট এর নজরকারা টাইটেল ও আকর্ষণীয় ইন্ট্রো লিখতে যতটুকু প্রচেষ্টার দরকার ছিল তা করেছেন যাতে পাঠক আপনার লিখার পরবর্তী অংশ পড়তে আগ্রহী থাকে। 
কনটেন্ট এর বডি এমন হতে হবে যাতে তা পড়তে পাঠকের আগ্রহ থাকে। নিচে আকর্ষণীয় কনটেন্ট বডিতে কি কি থাকতে হবে তার পয়েন্ট গুলা উল্লেখ করছি;  

১) একটি অনুচ্ছেদে ৩-৪টি বাক্য ব্যবহার করুন :

আপনি যখন একটি অনুচ্ছেদ বা পেরা লিখবেন তখন তা যেন ৩/৪ বাক্যর মধ্যে হয়। খুব বেশি বড় অনুচ্ছেদ বা পেরা পাঠককে লিখাটি পড়তে অনাগ্রহী করে তুলে। তাই যতটা সম্ভব অনুচ্ছেদটি ছোট ও তথ্যবহুল ও  আকর্ষণীয় করে তোলা। 

২) কন্টেট বডিতে সাবহেডিং ব্যবহার করুন:

সাব-হেডিং হচ্ছে কনটেন্ট এর মূল স্তম্ভ। সাবহেডিং ব্যবহার আপনার লিখাকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তুলে পাঠকদের কাছে। যাতে পাঠক কনটেন্ট পড়তে আগ্রহ না হারায়। সাব-হেডিং কনটেন্টকে পড়তে সহজ ও সাবলীল করে তুলে।

৩) বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করুন:

বুলেট পয়েন্ট এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য আপনার কনটেন্ট এ নিয়ে আসবেন। অপ্রয়োজনীয় শব্দ বাদ দিয়ে বুলেট পয়েন্ট আপনার কনটেন্টকে আরো বেশি রিডেবিলিটি বাড়াইয়ে দিবে। 

৪) ইমেজ/চার্ট/ইনফোগ্রাফিক গুলো কার্যকরভাবে ব্যবহার করুন:

কথায় আছে, “ছবি হাজারো কথা বলে।” আপনি আপনার ব্লগ পোস্ট এ রিলেভেন্ট ছবি/চার্ট/ ইনফোগ্রাফিক ব্যবহার করার মাধ্যমে পাঠকদের মনে ঐ পোস্ট সম্পর্কে একটি প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠে। 

৫) অনেক লিঙ্ক ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন:

লিংক বলতে আমি এইখানে এক্সটার্নাল ও ইন্টারনাল লিংকে বুঝিয়েছি। এক্সটার্নাল লিংকের ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি সতর্ক থাকবেন। রিলেভেন্ট সাইট গুলাতে এক্সটার্নাল লিংক দিবেন তবে ২/১ তার বেশি না। 
ইন্টারলিংক এর ক্ষেত্রে রিলেভেন্ট পেজ/পোস্টে গুলাতে লিংক করবেন। যতগুলা করতে পারেন করবেন কিন্তু রিলেভেন্ট পেজ ও পোস্ট এ করতে হবে।        

অনুপ্রেরণামূলক উপসংহার কিভাবে ব্যবহার করবেন?

নজরকারা টাইটেল, ভালো ইন্ট্রো ও আকর্ষণীয় কনটেন্ট বডির পর আপনি অনুপ্রেরণামূলক উপসংহার তৈরী করবেন। এখন চলুন দেখে নেই কিভাবে একটা ভালো উপসংহার লিখতে হয়; 

১) মূল পয়েন্টগুলি সংক্ষিপ্ত করুন:

আপনি আপনার আসল পয়েন্টগুলো সংক্ষিপ্ত আকারে উপসংহারে তুলে ধরবেন। যাতে পাঠকদের আসল মেসেজ পেতে সহজ হয়। 

২) সংক্ষিপ্ত রাখুন: 

উপসংহার অবশ্যই সংক্ষিপ্ত রাখতে হবে ও নতুন কোনো তথ্য ঢুকানোর চেষ্টা করবেন না। 

৩) প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন : 

উপসংহার এ একটি প্রশ্ন রাখতে পারেন যাতে পাঠক কমেন্ট সেকশন এ এনগেজমেন্ট বাড়ে। তবে ১ তার বেশি প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকুন। 

৪) একটি অনুপ্রেরণামূলক উক্তি দিয়ে শেষ করুন:

শেষ করার আগে একটি অনুপ্রেরণামূলক উক্তি দেন যাতে পাঠকের মনে আপনার এই লিখাটি দীর্ঘ ও পসিটিভ প্রভাব পরে। কনটেন্ট ও পরবর্তী লিখা গুলো পড়তে আগ্রহী থাকে।

আর্টিকেল রাইটিং এর জন্য যে সকল ব্লগ ফলো করবেন ?

লেখালেখি কারার জন্য আপনাকে প্রচুর পড়তে ও বিভিন্ন বিষয়াদি জানতে হবে। পড়াশুনা ছাড়া লেখালেখি বলতে পারেন অসম্ভব। ভালো মানের ও জনপ্রিয় ব্লগারদের ওয়েবসাইট নিয়মিত পড়ুন। তাদের লিখা অনুসরণ করতে করতে এক সময় আপনার নিজস্ব লিখার স্টাইল তৈরি হবে। যা আপনাকে সবার চাইতে ইউনিক করে তুলবে। আমি যেই ৬ টি ব্লগ/সাইট ফলো করি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। 
http://www.copyblogger.com
http://www.contentiscurrency.com
http://www.menwithpens.ca
http://www.fuelyourwriting.com
http://www.writetodone.com
http://www.dailywritingtips.com

আমাজন আর্টিকেল ও রিভিউ লেখার এই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন – ক্লিক হেয়ার

যেসকল গ্রামার চেকার ব্যবহার করতে পারেন:

আপনি যদি ভালো রাইটার হতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ভালো ইংরেজি জানতে হবে। বাক্য গঠনের সময় ছোট, মাঝারি ও লম্বা বাক্যগুলো লিখতে ব্রিটিশ ও আমেরিকান শব্দ ব্যবহারেও সতর্ক হতে হবে। যাতে বাক্য গুলা মিশ্রণ না হয়। বানান শুদ্ধর পাশাপাশি গ্রামার সম্পর্কেও ভালো ধারণা থাকতে হবে। নিচে কিছু গ্রামার চেকাররের নাম দিচ্ছি যাতে আপনি সহজেই ভুল গুলো শুদ্ধ করে নিতে পারেন; 
http://paperrater.com
http://Spellchecker.net
http://SpellCheckPlus.com
http://www.grammarly.com
http://www.whitesmoke.com

কপি কনটেন্ট চেক করার জন্য যেসকল টুলস ব্যবহার করবেন ?

অনেক সময় দেখা যায় আপনি যতই ফ্রি হ্যান্ড এ লিখেন না কেন কিছু শব্দ অনিচ্ছাকৃত ভাবে হলেও মিলে যাচ্ছে তাই আপনাকে কপি লিখা মুক্ত কনটেন্ট লিখতে হলে অবশ্যই টুলস দিয়ে লিখা চেক করে নিবেন কারণ কপি কনটেন্ট রাঙ্ক তো হয় না বরং আপনি ডুপ্লিকেট কনটেন্ট পেনাল্টিও খেতে পারেন। নিচে কনটেন্ট কপি চেকার দেয়া হলো; 
ফ্রি টুলস :
https://plagiarismdetector.net/
https://www.duplichecker.com/
https://smallseotools.com/
পেইড টুলস; 
Grammerly 
copyscape
quetext

ব্লগ কনটেন্ট স্যাম্পল যেমন হওয়া চাই :

এক এক আর্টিকেল লিখার স্টাইল এক এক রকম যেমনঃ আপনি ব্লগ আর্টিকেল এর সাথে প্রোডাক্ট কনটেন্ট এক না আবার সার্ভিস কনটেন্ট অন্য রকম তাই লিখার সময় আপনাকে অনেক পড়াশুনা করে নিতে হবে যাতে কনটেন্ট পরে পাঠক উপকৃত হয়। আমি  ব্লগ কনটেন্ট কিভাবে লিখতে হয় তার একটা স্যাম্পল দিলাম। যে স্টেপগুলো অনুসরণ করে ব্লগ কনটেন্ট লিখবেন তা নিচে দেয়া হলো; 

-আর্টিকেল সম্পর্কে ইন্ট্রো (ভিসিটর কি পাচ্ছে আর্টিকেলটায় )
-সাব-হেডিং ব্যবহার করুন 
-ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করুন (সাব-হেডিং এর মধ্যে )
-বুলেট পয়েন্ট এবং লিস্ট ব্যবহার করুন 
-প্রশ্ন ও উত্তর ব্যবহার করুন এর জন্য আপনি answerthepublic অথবা গুগল থেকে “People may ask” প্রশ্ন ব্যবহার করতে পারেন। 
-বিভিন্ন পরিসংখ্যান/নাম্বার/কোটেশন (উইকিপিডিয়া/ইউটিউব থেকে নিতে পারেন ) -অতিরিক্ত টিপস 
-উপসংহার

রাইটার হিসেবে আপনার চেকলিস্ট যেমন হওয়া উচিত:

আর্টিকেল এর মান ভালো করতে চাইলে একজন  আর্টিকেল রাইটারকে অবশ্যই কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে।   নিচে ঐ বিষয়গুলো চেকলিস্ট আকারে দিয়ে দিচ্ছি আপনাদের সুবিধাথে।

এই ৮টি চেকলিস্ট অবশ্যই অনুসরণ করবেনঃ

-লিখা ডাইরেক্ট কপি করেছেন বা লিখার কি কোনো অংশ কপি করা? 
-লিখার পূর্বে আপনি ভালোভাবে রিসার্স করেছেন কি?
-আপনার লিখা আর্টিকেলটি কি পাঠকের চাহিদা মিটাবে?
-আপনার লিখাটির তথ্য/উপাত্ত /পরিসংখ্যানগুলো কি আপডেটেড?
-আর্টিকেলটিতে কি ব্যাকরণে/বাক্য/শব্দ চয়নে ভুল আছে?
-আর্টিকেলটি কি পাঠকের পড়তে ভালো লাগবে?
-আপনার আর্টিকেলটি কি সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি?
-লিখাটি কি পাঠক স্ব-ইচ্ছাতেই শেয়ার করবে?

এই ৮ টি চেকলিস্ট অনুসরণ করলে আপনি অবশ্যই একজন ভালো মানের রাইটার হতে পারবেন। কিন্তু কখনোই কপি কনটেন্ট বা রি-রাইট কনটেন্ট ব্যবহার করবেন না। কোনো টুলস দিয়েও না। করলে আপনি রাঙ্ক তো পাবেনই না বরং উল্টো পেনাল্টি খাবেন।  

আপনার ইমেইলে বাংলায় ইন্টারনেট মার্কেটিং এবং এসইও রিলেটেড লেটেস্ট খবর ও আপডেট পেতে চান? সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

6 thoughts on “আর্টিকেল রাইটিং (কন্টেন্ট বা ব্লগ পোস্ট ) এর উপায় ও A to Z গাইডলাইন।”

  1. অনেক ইনফরমেটিব, ‍গুছানো লিখা পড়লাম এবং শিখতে পারলাম। ধন্যবাদ লেখক কে।

    Reply
  2. Really awesome and helpful information.Thanks a lot.I have a question.
    If I check content in https://smallseotools.com and find 100% unique than is it safe for upload in the website and is it also save from google penalty?
    Wating for your reply.
    Thanks again

    Reply
    • এই টুলটা জাস্ট প্লাগিয়ারিসম চেক করবে, মানে আপনার কন্টেন্ট ডুপ্লিকেট হয়েছে কিনা সেটা চেক করবে। কিন্তু আপনার কন্টেন্ট রিডেবল কিনা, মানুশের উপকারে আসবে কিনা এইগুলো ম্যানুয়ালি নিজে নিজে পড়ে বুঝে তারপর পাবলিশ করতে হবে।

      Reply

Leave a Comment

884 Shares
Share via
Copy link