কোয়ালিটি ল্যান্ডিং পেজ এবং যে কারণে বিশ্বাসের নিঃশ্বাস নেই

landing page Nshamim BN

আজ আর্টিকেলের আলচোনার বিষয় কোয়ালিটি ল্যান্ডিং পেজ। চলেন সুবার আগে একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

সে অনেক অনেক বছর আগের কথা, বিশ্বাস নামে এক দেশ ছিল। সেই দেশে বাস করত তখন আমাদের চৌধুরী সাহেবের একমাত্র ছেলে জনাব বাটপার। চৌধুরী সাহেবের ছিল প্রচুর পরিমানে ধন সম্পত্তি। জনাব বাটপার কিছুটা আলসে টাইপের।

সে কোন ভাবেই কাজ করে খেতে চায়না। চৌধুরী সাহেবের স্বপ্ন ছিল একদিন তার ছেলে বিশাল বড় বিজনেস ম্যান হবে, কিন্তু তা আর হয়ে উঠল না।

কিন্তু, একদিন হঠাত করে, জনাব বাটপার তার বাবাকে বলে বসল সে অনলাইনে ডাইমন্ডের ব্যাবসা করবে। এই কথা শোনার সাথে সাথে চৌধুরী সাহেব কোমায় চলে গেলেন।

সে আর কোন কথা কয় না। জনাব বাটপার জানত তার বাবা একজন কুনামে ধইন্য খারাপ লোক। জনাব বাটপার শুধু চাইছে তার বাবার এই কালিমা দূর করতে।

তারপর সে তার অনলাইনে ডায়মন্ড বিক্রির ব্যাবসা শুরু করে। তার ল্যান্ডিং পেজে বড় বড় করে লেখাছিল,

সততা, আমাদের মূলধন”।

এই লাইনটা দেখে অনেকে মুচকি হাসি দিয়ে ভাবত, “বাটপারি আমাদের  মূলধন লিখতে গিয়ে, ভুল করে মনে হয় এইটা লিখছে। চৌধুরী সাহেবের ছেলে বলে কথা।

জনাব অবিশ্বাস ঐ কথার উপর ভর করেই একটা ডায়মন্ডের অর্ডার করে। কথা ছিল, দুই দিনের মধ্যেই ডায়মন্ড বাসায় চলে যাবে, আর তখন টাকা পরিশোধ করলেই হবে।

এই ভাবে, শুরু হয়, জনাব বাটপারের বিশ্বাসের ল্যান্ডিং পেজ দিয়ে বিজনেস শুরু।

কয়েক বছর পরে, চৌধুরী সাহেব ভাল হয়ে যান। বাড়িতে আসার পর জানতে পারে, তার ছেলে এখন দেশের বিশ্বাসের প্রতীক। গর্বে তার বুকের ছাতি কয়েক ইঞ্চি লম্প মেরে বড় হয়ে গেছে, মোন হতে থাকে।

দেয়ালে টাঙান জনাব বাটপারের একটা ছোট বেলার ছবি দেখিয়ে সে তখন বলে “চৌধুরানী দেখছ? আমাদের ছেলে”।

চরিত্র গুলর নাম দেয়ার সময় একটু বিপরীত নাম দেয়ার চেষ্টা করছি শুধু মাত্র একটা কারণেই সেইটা হল নাম কিছু যায় আসে বলে আমার কাছে মনে হয় না। আপনি যদি নাম নিয়ে গবেষণা করে কয়েক ঘণ্টাও ব্যায় করেন তাহলেও সেটা আমার কাছে সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছু মনে হয় না।

যে কোন কিছু  সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তলার জন্য তিনটা জিনিস দরকার।

সাফল্য = সতাত + পরিশ্রম + ধৈয্য

অনলাইনে প্রোডাক্ট সেল করার সব থেকে বড় বাধা আমার কাছে মনেহয় বিশ্বাস। অনলাইনে ঢুকলেই কোন কিছু যদি অগ্রিম টাকা দিয়ে কেনা লাগে তাহলে দেখবেন কাস্টমারের পরিমাণ কমে গেছে। কারণ, অনলাইনেকে কেউ বিশ্বাস করতে পারে না।

আর যদি ল্যান্ডিং পেজের অবস্থা খারাপ হয় তাহলেত আর কথাই নেই। সুতরাং, ল্যান্ডিং পেজ তৈরির সময় সবার আগে যে জিনিশটা মাথায় রাখা দরকারতা হল “ল্যান্ডীং পেজ দেখে কি বিশ্বাসযোগ্য মনেহচ্ছে?

আপনি যত বেশি বিশ্বাস অর্জন করতে পারবেন, সেল বৃদ্ধি পাবে আর ফলাফল হিসবে পাবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত মুনাফা। আর বিশ্বাসের নিঃশ্বাস যদি না থাকে, তাহলে খরচ হবে বৃদ্ধি পাবে কিন্তু মনাফা নয়।

এই বিশ্বাস অর্জন করার জন্য আপনি ২য় বার সুযোগ পাবেন না। ঠিক যেন “প্রথম দেখায় ভাল লাগার জন্য আপনি দ্বিতীয় সুযোগ পাবেন না।”

এই আর্টিকেল এমন কিসু ফ্যাক্টর নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব যে গুলো এই বিশ্বাস বৃদ্ধির জন্য কাজে লাগবে। অথবা, আপনার তৈরি করা ল্যান্ডিং পেজটা কতাত বিশ্বাসযোগ্য সেইটা খুজে বের করার চেষ্টা করবে। তাহলে চলেন শুরু করা যাকঃ

ব্যাক্তিত্ব এবং ল্যান্ডিং পেজঃ

আপনার কারো সাথে যদি সামনে থেকে দেখা করার সুযোগ থাকে তাহলে, নিজেকে প্রমান করা অনেকটা সোজা। নিজেকে প্রমান করার কাজটা আপনি বিভিন্ন ভাবে করতে পারেন যেমনঃ কথা বলা, কি ড্রেস পরে আছেন সব কিছু।

কিন্তু অনলাইনে আপনার এই ধরনের কোন সুযোগ নেই। এই খানে আপনার মুখ দেখার সুযোগ নেই। এই খানে সব কিছু নির্ভর করে আপনি কিভাবে তথ্য উপস্থাপন করতে ছেন তার উপর।

সুতরাং, সবার আগে দেখতে হবে আপনার ল্যান্ডিং পেজের পারসোনালিটি কত টুকু।

যখন কেউ আপনার ল্যান্ডিং পেজে ভিজিট করবে, প্রথম কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সে সিধান্ত নিয়ে ফেলে সে প্রোডাক্ট কিনবে অথবা চলে যাবে।

  • ভিজিটরের ল্যান্ডিং পেজ দেখে মনেহল “বাহা সুন্দরত, দেখিত প্রোডাক্টটা কি?”
  • প্রথম দর্শনেই যদি পারসোনালিটির কোন কমতি থাকে, তাহলে ভিজিটরকে “I’m sorry” বলার আগেই দেখেবন পেজে কেটে দিয়ে চলে গেছে।

এখন কথা হল কি দেখে বুঝব যে, ল্যান্ডিং পেজের পারসোনালিটি আছে। এইটা আমার কাছে মোনেহয় একটা উৎকৃষ্ট উদাহরন হতে পারে।

ট্যাগ লাইনঃ

ট্যাগ লাইন ল্যান্ডিং পেজের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনে আছে জনাব বাটপারের দেয়া সেই ট্যাগ লাইনের কথা। ঐ ট্যাগ লাইনের উপর বিশ্বাস করেই কিন্তু অবিশ্বাস সাহেব অর্ডার করছিলেন। ভিজিটরের সব কিছু পড়ার দরকার নেই। ট্যাগ লাইন ভিজিটরের বিশ্বাস বৃদ্ধি করতে সয়তা করে, আর এই বিশ্বাস তৈরি হয় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই।

হালকা বর্ণনাঃ

প্রথম দর্শনেই আপনার ল্যান্ডিং পেজ ভাল লেগে গেছে। ভিজিটর এখন আরো বেশি জানতে ইচ্ছুক। আর আপনার এই সুযোগ ছেড়ে দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। এখন আপনার কাজ হবে একটা ২-৩ লাইনের একটা বর্ণান দেয়া। ঐ প্রোগ্রাম সম্পর্কে একটা বর্ণনা, সাথে এ্যাবাউট পেজটার লিঙ্ক কানেক্ট করে দেন।

রিয়েল লাইফ ইমেজ

আগেই বলছি ইন্টারনেট এর সব থেকে বর চ্যালেঞ্জ হল ভিজিটরের মেজাজ বুঝে কথা বলা।

ফেসবুকে চ্যাট করার সময় আপনি হয়ত খুব ফানি মুডে আছে কিন্তু অপর প্রান্তে যে আছে তার মেজাজ খুব খারাপ। সে হয়ত খুব সিরিয়াস হয়ে  বলল “এ জীবন আর রাখব না, শালা মরেই যাব। এই পৃথিবি বড়ই স্বার্থপর”।

তখন আপনি হয়ত মুখে হাসি নিয়ে লিখলেন “শালা ইংলিশ উকুন মারা বড়ি খেয়ে মর।” একটু পরেই ম্যাসেজ বন্ধ।

ঘণ্টা খানেক পরে ফোনে একটা ম্যাসেজ আসল  সেন্টূ  সেলিমের কাছ থেকে “আমি হাসপাতালে”। পরে আপনি জানতে পারলেন আপনার সাথে চ্যাট করার পর পরি সে ইংলিশ উকুন মারার বড়ি খুঁজে না পেয়ে হুইল গুড়া খাইছে। এইটা জানার পর আপনি কাঁদবেন নাকি হাসবেন সেইটা ভুলে গেলেন।

আপনার ল্যান্ডিং পেজ যেন এই টাইপের ঝামেলা মুক্ত হয়।

চায়ের দোকানে অনেকে জেয়ে দেখবেন বলবে ঐ একটা লাল চা দে। অন্য একজন হয়ত বলছে “মামা, একটা চা দিও। পেছন থেকে এক জন হয়ত বলে উঠবে “করিম চাচা, এই পাশে দুইটা। এক এক জনের বলার ধরন আলাদা হলেও মূল উদ্দ্যেশ্য কিন্তু “একটা চায়ের অর্ডার করা”। আর সবার ক্ষেত্রে করিম চাচা হয়ত তার পান খাওয়া কালা দাঁত গুলো বের করে দিয়ে একটা হাঁসি দিয়ে বলবে “দিচ্ছি ”।

আপনি যখন অনলাইনে কোন কিসু সেল করবেন তখন আপনার এই ধরনের কোন সুযোগ নেই। আপনি হয়ত পারসোনালিটিতে ঐ ভিজিটরের লেভেল পর্যন্ত পৌছাতে পারেনি। কিন্তু তার মানে কিন্তু এই না যে আপনার আশা শেষ হয়ে গেল।

এই খানে একটা ইমেজ এ্যাড করে দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ২০৩৭ সালে নাতিরে বসায়ে গল্প দিচ্ছেন, আপনি ছোট বেলায় খুব ভাল ক্রিকেট খেলতেন। এই সময় যদি এ্যালব্যাম বের করে দেখাতে পারেন যেখানে আপনি ব্যাট হাতে দাঁড়ায় আছেন। এই ক্ষেত্রে নাতি নাতনির কাছে আপনার কথার গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। তাহলে রিয়েল লাইফ ইমেজ কি করেঃ

  • বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে

সঠিক ইমেজ যেমন আপনার বিশ্বাসযোগ্যতার প্রতীক হিসাবে কাজ করবে, ঠিক তার বিপরীত হতে পারে যদি আপনি ভুল ইমেজ দিয়ে বসেন।

সুতরাং, এখন থেকে আপনার কাজ হবে কোন মানুষের ছবি ব্যাবহার করা। কিন্তু, এই খানে প্রশ্ন হল কি ভাবে ঠিক করবেন যে এই ছবিটাই সঠিক। আসলে এর জন্য কিছু এ/বি টেস্ট করাতাই ভাল।

ছবি / আপনার ছবিঃ

ল্যান্ডিং পেজে সঠিক ছবি দিতে পারলে কনভার্সন বৃদ্ধি পাবে, এইটা স্বাভাবিক। কিন্তু, VWO এর অসাধারন একটা কেস স্টাডি আছে, যেখান দেখান হইছে মানুষের ছবি ব্যাবহার করার ফলে কনভারসন কি ভাবে বৃদ্ধি পাইছে।

তবে, আমার কাছে মনেহয় কিছু এ/বি টেস্ট করে নেয়া সব থেকে ভাল। কোন ধরনের ছবি ব্যাবহার করার ফলে কনভার্সনের অবস্থা কেমন হচ্ছে, এইটা জানা খুবই দরকার।

মুখের ভাষাঃ

হাসি মাখা মুখ, ল্যান্ডিং পেজের জন্য খুবই ভাল কিন্তু এইটা যে সব সময় কাজ করবে তার কিন্তু কোন গ্রান্টি নেই। আপনার কাজ হল কোন মুখের হাঁসি ভাল কাজ করে এইটা খুজে বের করা। সুতরাং, শুরু করেন টেস্ট, টেস্ট, টেস্ট এবং টেস্ট।

একা নাকি সবাইঃ

শুধু মাত্র একজনের ছবি ব্যাবহার না করে, একটা গ্রুপ ছবি ব্যাবহার করতে পারেন। বিশ্বাসের কথা চিন্তা করলে, আমার কাছে মনেহয় গ্রুপ ছবি দেয়া টাই সব থেকে ভাল। সব থেকে ভাল হয় যদি আপনার নিজের ছবি দেয়া থাকে।

আমার এই খানে জনাব বাটপারের কথা চিন্তা করতে পারি। তার হয়ত দেশে অনেক ভক্ত আছে যারা বিশ্বাস করে জনাব বাটপার কোন কিছু রিকমান্ড করা মানেই ঐ জিনিসের গুণগত মান নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই।

সুতরাং, গ্ৰুপ ছবিই ব্যাবহার করবেন নাকি শুধু মাত্র এক জনের ছবি ব্যাবহার করবেন এইটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে কনভারসন রেটের উপর। কোনটা ভাল কাজ করবে এইটা জানার জনয় কিছু ট্রায়াল ভাবে দুই ধরনের ছবি দিয়েই ট্রাই করে দেখেন।

খিডা আপনি, চিনলাম নাত?

বেশির ভাগ কাস্টমার আপনার সম্পর্কে কিছু জানে না। তারা হয়ত কোন জায়গায়, আপনার দেয়া বিজ্ঞাপন দেখছে, সেই বিজ্ঞাপন দেখেই আপনার কাছে এসে পৌছাইছে। আবার অনেকে থাকবা আগে কয়েক বার আপনার এই খান থেকে প্রোডাক্ট নিছে এবং সে প্রচন্ড খুশি।

তাহলে নতুন যে আসল সে আপনার সম্পর্কে জানতে আগ্রহী। সে অন্য একটা কোম্পানি থেকে সার্ভিস নিয়ে থাকে এবং সে খুশি। কিন্তু, আপনার এই খানে আসছে একটু খোজখবর নিতে যদি আপনার এই খানে ভাল মনেহয় তাহলে পরের মাস থেকে আপনার কাছ থেকে নিবে।

তবে এই খানে একটা কথা সব সময় মনে রাখা দরকার, প্রত্যেকটা কাস্টমারের সাথে এমন ভাবে ব্যাবহার করেন যেন তারা একদম নতুন কাস্টমার।

কিন্তু এই খানে ঝামেলা একটা আছে, তাইলে কি আপনি প্রত্যেকটা কাস্টমারের জন্য নতুন নতুন করে ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করবেন? এই কাজ করাত অসম্ভাব। এই খানে যতটা সম্ভাব সব কিছু তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

তবে, অন্যান্য কোম্পানি গুলো থেকে আপনার সার্ভিস কেন ভাল? আপনার সার্ভিস নেয়ার পর তার জিবনে সুখের কোন শেষ থাকবে না। এই সব কথা আপনার বলার সুযোগ আছে। কিন্তু, কথা একটাই বিষয়টা যেন গাজীর পাটে পরিণত না হয়

একটা ল্যান্ডিং পেজে যে শব্দ গুলো লেখা থাকে সে গুলো শুধু এক একটা শব্দ না, তার থেকে আরো বেশি কিছু। আপনি ইচ্ছা করলে ল্যান্ডিং পেজের প্রত্যেকটা ফাঁকা জায়গা পূর্ণ করে দিতে পারেন, লেখা দিয়ে। কিন্তু, সব থেকে ভয়ংকর সইত্য কথা হল ৫৫% ভিজিটর ১৫ সেকেন্ডের কম সময় সাইটে থাকে।

আপনি আধুনিক সমাজিকঃ

সোস্যাল মিডিয়াতে আপনার অবস্থান ক্যামন এইটা মানুষের বিশ্বাস অর্জনে গুরুত্ব পূর্ণ ভুমিকা পালন করে। আপনি এই খানে টেস্টিমোনিয়ালের কথা চিন্তা করতে পারেন।

মনেকরেন, চৌধুরী সাহেবের ছেলে বাটপার যদি এখন আপনার একটা প্রোডাক্ট নিয়ে কতটা সন্তুষ্ট হইছে সেইটা লিখে স্যোসাল মিডিয়াতে দিয়ে দেয়, তাহলে আপনার অবস্থা ক্যামন হবে সেইটা চিন্তার বাইরে।

এইটাকে আপনি এক্সপার্ট সোস্যাল প্রুফ হিসাবে নিতে পারে। এই ধরনের বিভিন্ন প্রুফ হতে পারে, যেমনঃ সেলিব্রেটি, ব্যাবহারকারি, আপনার কোন বন্ধু এবং অন্যান্য কেউ যদি কিছু বলে থাকে।

যে সব প্রোডাক্ট গুলোর রেটিং এবং রিভিউ আছে ঐ প্রোডাক্ট গুলোর প্রতি কাস্টমাররা বেশি আগ্রহী থাকে। এই রেটের পরিমান প্রায় ৬৩%। আপনি এই সাইটা একবার দেখে আসেন তাহলে বুঝতে পারবেন কি ভাবে সোস্যাল প্রুফ ব্যাবহার করে একটা কোম্পনি এত ভাল করতে পারে।

আমারত সোশ্যাল প্রুফ নেই, তাহলে কি ভাবে ম্যানেজ করব? এই চিন্তা যদি আপনার এখন মাথায় ঘুরতে থাকে, তাহলে এই কয়েকটা প্লান আছেঃ

  • এখন যারা কাস্টমার অথবা পুরন কাস্টমারের কাছ থেকে নিতে পারেন,
  • আপনার বন্ধুদেরকে ফ্রি দিতে পারেন, বিনিময়ে তারা শুধু ফিডব্যাক দিবে। তবে অবশ্যই যেন সইত্য হয়।
  • অনেকেই হয়ত আগ্রহী আছে যারা, ফিডব্যাক দিতে আগ্রহী তাদের সাথে কথা বলতে পারেন।

 

ওস্তাদের মাইর, ভোর রাতে

ভিজিটরকে কখন বোকা ভাবা অথবা বোকা বানানোর চেষ্টা করা ঠিক হবে না।

হয়ত, অল্প সময়ের জন্য কিছু মুনাফা হতে পারে, তবে লং টার্মের কথা চিন্তা করলে ফলাফল বেশি একটা সুখকর হবে না। আপনি কতটা সৎ এবং ঠিক মত প্রোডাক্ট কে ফোকাস করতে পারছেন কি না, এই দুইটা একটা ল্যান্ডিং পেজকে সাফল্য এনে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

আপনি এখন জানেন কি ভাবে ল্যান্ডিং পেজের মধ্যে পারসোনালিটি, সোশ্যাল প্রুফ এবং ছবি ব্যাবহার করতে হয়। এই সব গুলো যদি এক জায়াগায় করেন তাহলে দেখবেন এইটা একটা রিসোর্স হিসাবে ব্যাবহার করতে পারেন।

কেউ হয়তা আপনার ওয়েবসাইট এ আসার পর কোন কিছু না নিয়েই চলে যেতে পারে, কিন্তু যাওয়ার আগে সে যেন আপনার কোম্পানি সম্পর্কে একটা ভাল তথ্য নিয়ে যায়।

হুটসুইট এই কাজটা আমার মনেহয় সব থেকে পারফেক্ট ভাবে করছে। আপনি যদি হুটসুইটের পেজে যান তাহলে এই টা ভাল ভাবে বুঝতে পারবেন।

বড় করে একাটা টাইটেল দেয়া আছে, যা দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন হুটসুইট কোন ধরনের সার্ভিস দিয়ে থাকে। নিচের ট্যাগ লাইনে দেখবেন কিসু শব্দ ব্যাবহার করা যেমন ঃ “expertise”। নিচে আছে সোশ্যাল প্রুফ। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আপনি বুঝতে পারবেন, হুটসুইট আসলে কি কাজ করে। এবং আপনাকে একাটা ইম্প্রসন দেয়া কমপ্লিট।

কিঞ্চিৎ বেশি ভালঃ

আমি ধরেনিলাম, উপরের যে কথা গুলো লেখা আছে সে গুলো আপনার কাছে খুবই বোরিং এবং ভাল কিছু হবে বলে মনেহয়নি। তাহলে, আপনার জন্য একাটা শর্টকাট প্লান। আপনি যে নিসের উপর কাজ করছেন, তার উপর ভাল করছে এমন অন্তত ২০টা ওয়েবসাইট খুঁজে বের করেন। এই বার প্রত্যেকটা নিয়ে এ্যানালিসিস করা শুরু করেন।

উপরের যে বিষয় গুলো উল্ল্যেখ করা হইছে ঐ গুল হয়ত আপনাকে এখন এই কাজটা করতে একটু সাহায্য করতে পারে। আপনি মোটামুটি একটা সময় কাটানোর পর কএয়ক ডিজাইন প্লান আপনার মাথায় চলে আসবে। এখন আপনার কাজ হল এই কয়েকটা নিয়ে এ/বি টেস্ট করে ফেলা।

ফলাফল সন্তোষজনক হবে।

আপনার ল্যান্ডিং পেজের বিশ্বাসে যেন নিঃশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকতে পারে, সব সময় সেই দিকে খেয়াল রাখেন।

আপনার জন্য শুভ কামনা।

1 Comment

Leave a Reply