Last Updated on

এসইও বা টোটাল ইন্টারনেট মার্কেটিং জগতটা বেশ অদ্ভুত। 

এখানে শেখার পাশাপাশি আপনাকে অবশ্যই সেটা প্রয়োগ করতে হবে। 

ট্র্যাডিশনাল কলেজ বা ভার্সিটিতে আমরা ২ থেকে ৪ বছর পড়াশুনা করি; তারপর চাকরিতে গিয়ে সেই শিক্ষা প্রয়োগ করার চেষ্টা করি। বাস্তবে যেটা হয়, আমরা যা যা পড়েছি সব ভুলে যাই এবং আমাদের একদম নতুন করে সবকিছু শিখতে হয় কাজ করতে করতে। 

অনলাইনের যেকোন স্কিল এবং প্রসেস এইক্ষেত্রে একদমই আলাদা। 

এই সেক্টরে আপনি হাজার হাজার ভিডিও পাবেন। হাজারটা ব্লগ পাবেন। কিন্তু দিন শেষে আপনি যা যা শিখবেন, সেগুলো যদি আপনার নিজের ব্লগে এপ্লাই না করেন, তাহলে এই শেখার কোন মুল্যই নেই। 

আমাদের NShamimPRO তে যত মেম্বার আছে, তার মধ্যে যারা যারা বেশ সফল; তাদের মধ্যে আমি একটা বেশ কমন জিনিশ খুঁজে পেয়েছি। 

তারা সবাই যা যা শিখে, সেটা এপ্লাই করে। 

কখনো কখনো সব কিছু ঠিক ঠাক ভাবে হয় না। 

অনেকে হয়ত তাদের প্রথম ব্লগটায় পুরোটাই ফেইলড হয়। 

অনেকের হয়ত তাদের প্রথম সাফল্য পেতে গতানুগতিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগে। 

কিন্তু, ঐ যে শেখার পাশাপাশি সেটা এক্সাক্টলি ঐরকমভাবেই নিজের ব্লগে প্রয়োগ করা; সেটা কিন্তু একটা না একটা সময় সাফল্যের কাছাকাছি নিয়ে যায় তাদের। 

তাদের এই এক্সট্রা এফোর্ট, যা শিখছে সেটাই প্রয়োগ করার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টাই দিন শেষে সাফল্য বয়ে আনে। 

আমরা হয়ত টুকটাক সমস্যাগুলোতে হেল্প করি, কিন্তু আসল কৃতিত্ব কিন্তু তাদের। 

আপনি যদি আমাদের সাকসেসফুল মেম্বারদের ( https://www.nshamim.com/success-stories/ )পার্সোনালি ধরে ধরে নক দেন; সবাই কিন্তু আপনাকে সেইম কথাই বলবে। 

সুতরাং, যারা এসইও, ব্লগিং, এফিলিয়েশন বা ক্লাইয়েন্ট এসইও (ফ্রিল্যান্সিং) শুরু করতে চাচ্ছেন, তাদের জন্যে আমার একটাই পরামর্শ – সেটা হচ্ছে, পৃথিবীর যেখান থেকেই আপনি শিখেন না কেনো, আপনার শেখার প্লাটফর্ম যেটাই হউক না কেনো – জাস্ট একটা কথাই মাথায় রাখবেন যে, আপনি দিনে যেটা শিখবেন, রাত্রে ঘুমানোর আগেই যেন সেটা আপনি প্রয়োগ করতে পারেন। 

ধরুন, আপনি আজকে শিখলেন কিভাবে গেস্ট পোস্ট করে লিঙ্ক বিল্ড করতে হয়। 

এখন আপনি যেভাবেই হউক, এটলিস্ট ৫টা গেস্ট পোস্ট আউটরিচ না করে আপনি আজকে ঘুমাতে যাবেন না। 

সকালে উঠে যদি দেখেন ৫ টা থেকে আপনি অলরেডি ২ টার রিপ্লাই পেয়েছেন (নেগেটিভ বা এফারমেটিভ); আপনার কনফিডেন্স লেভেল অনেক বেড়ে যাবে না? 

আপনি তখন আরও ভালোভাবে কিভাবে আউটরিচ করা যায়; সেটা নিয়ে চিন্তা করবেন। কিভাবে আরও বেশি রিপ্লাই পাওয়া যায়; সেটাতে মনোনিবেশ করতে পারবেন। 

এটাই আসলে শেখার নিয়ম। 

এর বাত্যয় ঘটলে আপনার সফল হওয়ার সম্ভবনা বেশ ক্ষীণ। 

অতএব, হতাশ না হয়ে, শেখা আরম্ভ করুন। শেখার পাশাপাশি, সেটা প্রয়োগ করুন। 

কোন সমস্যায় পরলে আমাদের গ্রুপ আছে ওখানে নক দিন। বাংলাদেশের ছেলেপেলেরা অনেক বেশি ভাগ্যবান, কারন ফেসবুকে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির যতো গ্রুপ আছে; পৃথিবীর অন্য কোথাও আর নেই। এবং আমার দেখা মতে, আমাদের দেশের গ্রুপগুলো অন্যান্য দেশের গ্রুপের তুলনায় অনেক বেশি হেল্পফুল। 

কারণ একদম একা একা আপনি বেশিদূর এগোতে পারবেন না। 

এই কমিউনিটির অন্যান্য মানুষের সাথেই সাথেই আপনাকে বড় হতে হবে। 

মুনির হাসান স্যার এর একটা কথা আছে – “পথে নামলেই পথ চেনা যায়”। 

আমি একমত। 

তবে পথে নামলেই হবে না। অন্যান্যরা ঐ পথে কিভাবে হাঁটছে, সেটা দেখতে হবে। তাদের হাঁটার কৌশলগুলো রপ্ত করে সেভাবে আপনাকেও হাটতে হবে।

তবেই না আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। 

শুভকামনা।