Last Updated on

Contents hide

ভয়েজ সার্চ কি ?

ভয়েস সার্চ হচ্ছে আধুনিক টেকনোলজি যার মাধ্যমে ইন্টারনেট এ মানুষ স্মার্ট ডিভাইস ও তার ভয়েস দিয়েই যেকোনো কিছু সার্চ করতে পারে।
ভয়েস সার্চ এর জন্য কিছু সার্ভিস আছে যেমন গুগল এর গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট, এপল এর SIRI আমাজন এর এলেক্সা স্মার্ট হোম ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্স
ভয়েস সার্চ এখনো খুব বেশি পপুলার হয়ে উঠে নাই তবে এটি ভবিষ্যতে বেশ জনপ্রিয় হবে এইটা সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে।

ভয়েস সার্চ এর প্রকারভেদ এবং কিধরনের সার্চ হয়?

ভয়েস সার্চ এ মানুষ যে ২ ভাবে সার্চ দিয়ে থাকে তা দেয়া হলো;

১) লং সার্চ টার্ম

২) কথোপকথন বা প্রাঞ্জল ভাষার সার্চ টার্ম।


সার্চ ইঞ্জিন বিং এক্সপার্টদের মতে, “মানুষ ভয়েস সার্চ এর ক্ষেত্রে সাধারণত লং ফর্ম কীওয়ার্ড (একটু স্পেসিফাই করে) দিয়েই সার্চ করে থাকে ।”


ভয়েস সার্চাররা বেশির ভাগ সময় লং টার্মে সার্চ করে থাকে, এক পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে ৭০ ভাগ ভয়েস সার্চাররাই নরমাল ল্যাঙ্গুয়েজে সার্চ করে থাকে।


উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি গু গল সার্চ বারে সার্চ করেন “Make cold brew” অর্থাৎ আপনি শর্ট কীওয়ার্ড দিয়েই সার্চ দিলেন।

কিন্তু আপনি যদি একই বিষয় নিয়ে ভয়েস সার্চ করেন আপনি গুগল সার্চ এ “Hey Google How do you make cold brew coffee at home?”

তাহলে সার্চ রেজাল্টস সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে যাবে। এই রকম সার্চ এ ট্র্যাডিশনাল কীওয়ার্ড রিসার্চ ও অন-পেজ এসইও তেমন একটা কাজ করে না।

ভয়েস সার্চকে ট্রাডিশনাল সার্চে পরিবর্তন করার পদ্ধতি

যেহেতু ভয়েস সার্চ করা অনেক বেশি সুবিধাজনক ট্রাডিশনাল সার্চ করা থেকে তাই ভয়েস সার্চ এর জনপ্রিয়তা দিনকে দিন বাড়ছে।


গুগল এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শেষ ২ বছরে সার্চাররা ১৫০% বেশি সার্চ করেছে ভয়েস সার্চ এর মাধ্যমে।


আরো একটি পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে মানুষ ঘরের বাহিরেই বেশি ভয়েস সার্চ করতে পছন্দ করে থাকে বিশেষত পাবলিক প্লেস যেমনঃ রেস্টুরেন্টে, জিম, ইত্যাদি।


উদহারণ হিসেবে বলা যায়, ধরুন আপনি মিটিং এ আছেন কিন্তু আপনার শার্ট এ কফি পরে গেলো; আপনি চাইবেন দ্রুততার সাথে অন্য একটি শার্ট কিনতে! তার জন্য আপনি গুগলে “Clothing in Dhaka” লিখে সার্চ করবেন কিন্তু আপনি যদি ভয়েস সার্চ করতেন তখন কিন্তু এইরকম ভাবে সার্চ করতেন, “Where is the cloth store near me the open right now” এর মাধ্যমেই বুঝা যাচ্ছে আসলে ট্রাডিশনাল গুগলে সার্চ ও ভয়েস সার্চে এর মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।

ভয়েস ও টেক্সট সার্চ রেজাল্টস এর মধ্যে পার্থক্য

গুগল আসতে আসতে হলেও সার্চ ইঞ্জিন থেকে আনসার ইঞ্জিনে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। মূলত SERP ফিচারস এর ফিচার্ড স্নিপেট ও নলেজ গ্রাফ অর্গানিক ক্লিক এর ৩৭% কমিয়ে দিয়েছে।
আপনি এমন কোনো ওয়েবসাইট ভিসিট করবেন না যেখানে আপনার সার্চ এর উত্তর পাওয়া যাবে না তাই গুগলও যে ওয়েবসাইট এ আপনার প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে ঐ ওয়েবসাইট ভয়েস সার্চ রেজাল্টস এ নিয়ে আসে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়; আপনি গুগল ভয়েস সার্চে জানতে চাইলেন, “What is maki sushi.”

কিন্তু আপনাকে কিছু দিন আগেও গুগল সার্চ বারে সার্চ করতে হতো maki sushi লিখে। আপনাকে টপ ১০ সাইট গুলা প্রতিটি খুঁজে দেখতে হতো আপনার উত্তর পাবার জন্য। কিন্তু ভয়েস সার্চ এ আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর কয়েক সেকেন্ড এর মধ্যেই পাবেন।
চলুন জেনে নেই কি করে ভয়েস সার্চ এসইও কীওয়ার্ড রিসার্চ ও অন-পেজ কিভাবে করতে হয়।

ভয়েস সার্চ এর জন্য যেসকল টুলস ব্যবহার করবেন

কিভাবে ভয়েস সার্চের জন্যে কীওয়ার্ড রিসার্চ করবেন?

ভয়েস সার্চ কীওয়ার্ড ও ট্রাডিশনাল কীওয়ার্ড রিসার্চ এক নয়। এখন আমি ভয়েস সার্চ নিয়ে ৩ টি স্ট্রেটেজি শেয়ার করবো। যেগুলো ভয়েস সার্চ এসইওতে অবশ্যই কাজে দিবে।

স্টেপ ১ – ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজে কীওয়ার্ড খুঁজে বের করুন

আমি আগেই বলেছি ভয়েস সার্চ মানুষ কথোপকথন টাইপ কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে থাকে। তাই আপনি যখন ভয়েস সার্চের জন্য কীওয়ার্ড রিসার্চ করবেন তখন অবশ্যই একটু convertional কীওয়ার্ড নিবেন।
ধরুন গুগল ভয়েস এ কেউ সার্চ করলো “how do you follow the paleo diet if you’re an athlete.” কিন্তু একই কীওয়ার্ড যদি রোবটিক হয় তবে “paleo diet athlete” হতো। তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক এই কীওয়ার্ড এ কেমন রেজাল্টস আসছে Ahrefs অনুযায়ী;

আমরা যখন কীওয়ার্ড রিসার্চ করি তখন আমরা মূলত ৩ টি বিষয় লক্ষ্য করি;


১) সার্চ ভলিউম
২) সিপিসি
৩) সিজনাল ট্রেন্ড সার্চ


কিন্তু আপনি যদি ভয়েস সার্চ এর কথা চিন্তা করেন তবে এক্ষেত্রে কনভার্শনাল বা ন্যাচারাল কীওয়ার্ডগুলাই বেশি কার্যকর হয়ে থাকে।

স্টেপ ২ – লং-টেইল কীওয়ার্ড এড়িয়ে না গিয়ে অবশ্যই কন্সিডার করবেন

বেশিরভাগ মানুষ লং-টেইল কীওয়ার্ড গুকা এড়িয়ে যায়। প্রশ্ন করতে পারেন কেন? খুব সাধারণ কারণ লং-টেইল কীওয়ার্ড এর সার্চ ভলিউম খুব কম থাকে। কিন্তু মানুষ যখন গুগল ভয়েস সার্চ দিয়ে সার্চ করে তখন স্বাভাবিকভাবেই কীওয়ার্ড লম্বা হয়ে যায়।

তাই আপনি যখন কনটেন্ট অপ্টিমাইজ করবেন বা লিখবেন তখন অবশ্যই লং-টেইল কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। ভয়েস সার্চ কীওয়ার্ড এর জন্য আপনি Ahrefs বা keyword everywhere ব্যবহার করেই লং-টেইল কীওয়ার্ড পেতে পারেন।

স্টেপ ৩ – প্রশ্ন-বেইজড কীওয়ার্ড টার্গেট করুন

আপনি SEO দিয়ে সার্চ করলে আপনাকে নিচের স্ক্রিনশট এর মতন রাঙ্কিং দেখাবে

কিন্তু ভয়েস সার্চ এর ক্ষেত্রে আপনি কিন্তু Hey Google SEO বলে সার্চ করবেন না। আপনি তখন বলবেন; “how do I get my site to rank higher in Google.”

দুইটি সার্চ কিন্তু ভিন্নতা আছে। ভয়েস সার্চের ক্ষেত্রে আপনি এই রকম লং কীওয়ার্ড পাওয়ার জন্য রেকমেন্ডেড টুলস হচ্ছে; Answer the public এবং Buzzsumo question analyzer.এই ২ তা টুলস ব্যবহার করে আপনি বেশ ভালো পরিমান কীওয়ার্ড পাবেন ভয়েস সার্চ এর জন্য। 

ভয়েস সার্চ এর জন্য কিভাবে আপনার কনটেন্ট অপ্টিমাইজ করবেন?

চলুন জেনেনি কি করে আপনার সাইট এর কনটেন্ট ভয়েস সার্চ এর জন্য অপ্টিমাইজ করবেন। ভয় পাবার কিছু নেই খুব বেশি কনটেন্ট এ চেঞ্জ আনতে হবে না। কিছু টুইক করেই আপনার কনটেন্ট ভয়েস সার্চ উপযোগী করা যাবে। 

আপনার কনটেন্ট এর মেইন টপিকটার সংক্ষিপ্ত উত্তর রাখুন

গুগল ভয়েস সার্চ এর প্রশ্নর উত্তর গুগল, এলেক্সা এবং অ্যাপল সিরি একদম সংক্ষিপ্ত আকারেই দিয়ে থাকে। বেশির ভাগ উত্তর গুলা হয়ে থাকে ২৯ ওয়ার্ড এর।

ধরুন আপনি Apple এর SIRI -তে সার্চ করলেন;“Are figs good for you?”

সিরি আমাকে নিচের এই উত্তরটা দিলো –

গুগল ভয়েজ এসইও

তাই আপনার কনটেন্ট এ সার্চার এর প্রশ্নের উত্তর ৩০ ওয়ার্ড এর বেশি যেন না হয়। 


ভয়েস সার্চ এর জন্য FAQ পেজ তৈরী করুন। FAQ পেজ গুলা ভয়েস সার্চ এর জন্য পারফেক্ট। শুরুতেই বলেছি ভয়েস সার্চ করাই হয় প্রশ্ন এর মতন করে। তাই দেখেন প্রশ্ন কীওয়ার্ড গুলা বেশ ভালো করছে। তাই FAQ পেজ গুগল ভয়েস সার্চ রাঙ্কিং এ অনন্যা পেজ থেকে অনেক ভালো করছে। 

ফিচার্ড স্নিপেট অপ্টিমাইজ করুন

ফিচার্ড স্নিপেট হচ্ছে ভয়েস সার্চ এর ক্ষেত্রে বেশ কাযকরী। মূলত ৪০.৭% ভয়েস সার্চ আনসার আসে ফিচার্ড স্নিপেট রেজাল্টস থেকে। ধরুন; আপনি যদি ভয়েস সার্চ করেন; Is ice water bad for dogs? আপনার এন্ড্রইড বা IOS ফোন থেকে তবে গুগল নিচের ছবির মতন দেখাবে। 

এবং সার্চ রেজাল্টস যদি দেখেন তবে গুগল রেজাল্টস তা নিয়েছে ফীচার স্নিপেট থেকে। তাই ফিচার্ড স্নিপেট রেজাল্টস অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভয়েস সার্চ এর ক্ষেত্রে। 

ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজে এ কনটেন্ট লিখুন

ভয়েস সার্চাররা ন্যাচারাল সার্চ করে থাকে তাই আপনাকে কনটেন্ট কোনভার্শনাল রাখতে হবে। ধরুন কেউ সার্চ করলো;“How do you direct messege on instagram”

গুগল আপনার কনটেন্ট থেকে ম্যাচ করবে যদি আপনার কনটেন্ট এ এমন কোনো লাইন থাকে ; So, you’re probably wondering: how do you direct messege on instagram? তাহলে আপনার কনটেন্ট থেকে এই লাইন থাকার কারণে গুগল সার্চ রেজাল্টস এ আপনার কনটেন্ট দেখাবে।

কনটেন্ট এর মধ্যে লং-টেইল কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন

কিবোর্ড সার্চার থেকে ভয়েস সার্চারদের কীওয়ার্ড সার্চ কিছুটা লং হয়ে থাকে। তার মানে এই না যে আপনার ১০০০ পেজ এর ওয়েবসাইট এর ১০০০ পেজ অপ্টিমাইজ করতে হবে। পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে; ২% এর কম ভয়েস সার্চ রেজাল্টস এ এক্সাক্ট ম্যাচ কীওয়ার্ড সার্চ রেজাল্টস এ দেখায়। 
গুগল আনসারটা নিয়ে আসে কনটেন্ট এর বডির ছোট অংশ থেকে যদিও উত্তরটি ছোটও হয়ে থাকে। যেমন ধরুন আপনি সার্চ করলেন; do post office accept credit cards উত্তরটি এসেছে নিচের ছবিটি দেখুন :

কারণ উত্তরটি ছোট ও সুন্দর এবং গুগল এই আনসারকে যথাযথ  মনে করেছে তাই তার সার্চ রেজাল্টস এ এনেছে। 

ভয়েস সার্চ এর কিছু অ্যাডভান্স টিপস এবং স্ট্রাটেজি

এই অংশে আমি আপনাদেরকে ভয়েস সার্চ নিয়ে অ্যাডভান্স টিপস এবং স্ট্রাটাজি নিয়ে আলোচনা করবো।

১। “Filler” ওয়ার্ড অন্তুর্ভুক্ত করুন

পূর্বেই বলেছি প্রশ্ন দিয়ে তৈরী কীওয়ার্ড ভালো পরিমান ভয়েস সার্চ হচ্ছে। তাই যখন আপনি প্রশ্নে তা অপ্টিমাইজ করবেন তখনি filler ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করবেন। নিচের ছবিতে filler ওয়ার্ড গুলা দেখছেন।

Filler ওয়ার্ড গুলা হচ্ছে A, me, I for, The এই গুলা।

২। ৯ম গ্রেড এর লেভেল লিখুন

এভারেজ ভয়েস সার্চ রেজাল্টস ৯ম গ্রেড এর লেভেল এ লিখা। তাই আপনার লিখায় অলংকারিক ও অর্থহীন বাক্য না দিয়ে পরিষ্কার ও অর্থবোধক সাবলীল ভাবে লিখলে তা ভয়েস সার্চ এ ভালো কাজে দিবে।

৩। সাইট এর স্পিড উন্নতি ঘটান

ভয়েস সার্চ এর রাঙ্ক করা সাইট গুলো অন্য সাইট গুলা থেকে এভারেজ ৩.৮x দ্রুত গতির লোডিং স্পিড হয়ে থাকে। তাই আপনার সাইটকে ভয়েস সার্চ এ রাঙ্ক করতে হলে সাইট এর স্পিড বাড়াতে হবে।

৪। আপনার ওয়েবসাইট এর ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধি করুন

আপনার সাইটকে যদি গুগল ভয়েস সার্চ এ রাঙ্ককে আনতে চান তবে আপনাকে ডোমেইন অথরিটি বাড়াতে হবে। যখন আপনি তা করতে পারবেন তখন গুগল আপনার সাইটকে রিলেভেন্ট সার্চ এ সোর্স হিসেবে রেফার করবে তা যদি আপনার ওয়েবসাইট এর কোনো পেজও হয়ে থাকে এবং কোনো প্রকারের লিংক ছাড়া।

৫। বড় কনটেন্ট = আরো বেশি ভয়েস সার্চ ট্রাফিক

আপনি হয়তো শুনেছেন, এভারেজ ১৯০০ ওয়ার্ড গুগল তার রেজাল্টস এর ফার্স্ট পেজে নিয়ে আসে। কিন্তু ভয়েস সার্চ এর ক্ষেত্রে সার্চ রেজাল্টস এ আসার জন্য আপনাকে এভারেজ ২৩০০ ওয়ার্ড কনটেন্ট লিখতে হবে। 
কিন্তু আমি মনে করি না গুগল ভয়েস এলগো লং কনটেন্ট এর জন্য ভালো স্পট মনে করে। আসলে ওয়ার্ডস হচ্ছ একরকম নাম্বার এর খেলা। গুগল ভয়েস আপনার পেজ এর এক্সাক্ট ম্যাচ ভয়েস কোয়ারি তাই নিয়ে নেয়। 

৬। “Near Me”- সার্চারদের জন্য অপ্টিমাইজ করা

কিছু দিন আগেও লোকাল এসইও ছিল নির্দিষ্ট “সিটি” বা “স্টেট ” তাই আপনি যদি গুগল সার্চ করে জানতে চান “dry cleaner in New York” তাহলে আপনাকে সার্চ রেজাল্টস এমন দেখাবে। 

আপনি যদি লোকাল বিসনেস চালু করতে চান তবে এখন আপনাকে ভয়েস সার্চ এর ট্রাফিক এর কথা মাথায় রাখতে হবে তাই তার জন্য আপনাকে সার্চ টার্ম অনুযায়ী কীওয়ার্ড বসাতে হবে। যেমনঃ আপনি ধরুন কফি শপ খুঁজছেন তাহলে আপনি যখন গুগল ভয়েস সার্চ এ সার্চ করবেন তখন “coffee shop near farmgate” লিখে সার্চ করবেন।  লোকাল বিসনেস এর জন্য “Near Me” সার্চ টার্মটি এখন বেশ হাইপার সার্চ।  

৭। সার্চ রেজাল্টস এ ভিডিও র‍্যাঙ্ক করুন

ভয়েস সার্চ এর ক্ষেত্রে গুগল রেলিভেন্স ভিডিও গুলা র‍্যাঙ্ক দিয়ে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গুগল সেইসব কীওয়ার্ড এ ভিডিও রাঙ্ক দিচ্ছে যেই সকল কীওয়ার্ড এ ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ সার্চ হচ্ছে। 
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়; “You Tube SEO” লিখে সার্চ করলে সার্চ রেজাল্টস এই রকম আসে। খেয়াল করে দেখবেন ভিডিও রাঙ্ক করেছে কিন্তু ৫ম পসিশনে।  

কিন্তু আপনি যদি ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজে সার্চ করে থাকেন তবে keyword: “how do I rank my YouTube videos” প্রথমেই ভিডিওকে রাঙ্ক দিয়েছে গুগল। ভিডিও হচ্ছে অনেক বড় পার্ট ভয়েস সার্চ কোয়ারিতে। তাই আপনি যদি আপনার কনটেন্টকে ভয়েস সার্চারদের সামনে র্যাংক করাতে চান তাহলে গুগলে ভিডিও দিয়ে রাঙ্ক করতে পারেন।

ভয়েস সার্চ রিলেটেড ভিডিও