কীওয়ার্ড রিসার্চ ও সাইট সিকিউরিটি

নিশ তো পেলেন এখন আপনার মাথা ব্যথার কারণ কিভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ করবেন ? সাথে সাইট কিভাবে সিকিউর রাখবেন। ২ তা বিষয় মাথায় রেখেই আমাদের SEO Masterminds গ্রুপের ২ জন মেম্বার এর প্রশ্ন গুলার উত্তর দিলাম। 

১) Keyword টার ডিফিকাল্টি ১৫-২০ এর কম থাকলে পিক করবো! কিন্তু সার্চ ভলিউম কত হলে পিক করবো? একটা মোটামুটি আউটপুট পেতে সার্চ ভলিউম নুন্যতম কত হলে কীওয়ার্ডটা নিবো?

উত্তরঃ কীওয়ার্ড ডিফিকাল্টি আসলে টুলস মেট্রিকস। এক এক টুলস এক এক রকম দেখায় তাই KD দিয়ে ফিল্টার করে কীওয়ার্ড নেয়া আর অন্ধকারে ঢিল মারা একই। তাই KD দেখে কীওয়ার্ড নেয়া যাবে না। 

সার্চ ভলিউম নিয়ে টুলস গুলা যেই ডাটা দেখায় সেইগুলা থেকে আসলে ধারণা পাবেন অ্যাকচুয়াল কিছু পাবেন না। তাই বেটার একের অধিক টুলস ব্যবহার করা ও গুগল ট্রেন্ডস দেখা।  নূন্যতম ৩০ নিলেও সমস্যা নাই বায়িং কীওয়ার্ড এর ক্ষেত্রে কিন্ত ট্রেন্ড থাকা চাই। 

২)আমি যে নিশ টা রিচার্স করলাম, হতে পারে সেটার ট্রেন্ড ভালো+লো কম্পিটিটিভ+KD কম। কিন্তু! আমার কন্টেন্ট যেগুলো লিখতে হবে সেগুলোর কীওয়ার্ড তো আলাদা শব্দের এবং ওইগুলোর তো ম্যাক্সিমামই কীওয়ার্ড ডিফিকাল্টিস বেশি!

মানে আমার নিশ যদি Laptop নিয়ে হয়, তাহলে ল্যাপটপ নিশটা আমি লো কম্পিটিটিভ হিসেবে রিচার্স করে বের করলাম।কিন্তু Laptop নিশের জন্য যে কন্টেন্ট গুলো লিখতে হবে, ধরুন, How to buy a laptop সেক্ষেত্রে এগুলোর KD/কম্পিটিটর তো বেশি! তখন কি করবো?

উত্তরঃ আপনি আপনার নিশের মধ্যে লো কম্পিটেটিভ কীওয়ার্ড গুলা খুঁজে বের করেন। লো কম্পিটেটিভ কীওয়ার্ড যেভাবে চিনবেন; 

১) টপ টেন এ আপনার কীওয়ার্ড ফোকাস তেমন কেউ করবে না 

২) সোশ্যাল মিডিয়া টপ টেন এ থাকবে 

৩) অপেক্ষাকৃত নতুন সাইট টপ টেন এ থাকবে 

৪) কম্পিটিটর কনটেন্ট থেকে আপনি আরো ভালো কনটেন্ট দিতে পারবেন। মানে তাদের কোয়ালিটি ভালো নয় তেমন।  

৩) আমার প্রতিটা কন্টেন্ট এর প্রাইমারী কীওয়ার্ডের পাশাপাশি নিশ এর কীওয়ার্ডটিও সেট করে দিতে হবে?

উত্তরঃ হা অবশ্যই আপনি সেট করে রাখবেন। 

৪)প্রাইমারী কীওয়ার্ডের জন্য কয়টি সাপোর্টিং কীওয়ার্ড রাখা আদর্শ? (১০০০ শব্দের কন্টেন্ট এর জন্য)

উত্তরঃ যত বেশি ব্যবহার করা যায় তবে সেইটা হতে হবে ন্যাচারাল। 

# আপনার ওয়েবসাইট কেন হ্যাক হতে পারে ?

আপনি যদি ব্লগার বা এফিলিয়েট মার্কেটটার হয়ে থাকেন তবে এই বিষয় তা হয়তো আপনার সাথে ঘটতেই পারে।  তাই যেই বিষয় গুলা মাথায় রাখা উচিত সব সময়। 

১) ক্র্যাক/নাল থিম প্লাগিন না ব্যবহার করা 

২) যেইসকল প্লাগিন আপডেট দেয়া হয় না ডেভেলপার এন্ড থেকে সেইগুলা না ব্যবহার করা 

৩) SSL না থাকা 

৪) সিকিউরিটি প্লাগিন ব্যবহার না করা। (itheme সিকিউরিটি প্লাগিন ব্যবহার করতে পারেন)

উপরের উল্লেখিত কারণ গুলার কারণে সাইট হ্যাক হতে পারে।  

আপনার ইমেইলে বাংলায় ইন্টারনেট মার্কেটিং এবং এসইও রিলেটেড লেটেস্ট খবর ও আপডেট পেতে চান? সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

Leave a Comment

Share via
Copy link
Powered by Social Snap