ডিজিটাল-মার্কেটিং-এসইও-Image

ডিজিটাল মার্কেটিং এবং এসইও টিপস – ২০১৯

যারা নতুন সাইট শুরু করবেন/করছেন লেখাটা তাদের জন্য –

এখন সাইট শুরু করলে সেই সাইটের জন্য চ্যালেঞ্জ নিতে হবে ২০-২১ সালের গুগল আপডেট যা আসবে সেসবের জন্য। ইতিমধ্যে অনেক কিছু চেঞ্জ হয়ে গেছে, যা আগে কাজ করত সেসবের অনেক কিছুই এখন কাজ করে না।

সামনের দিনে মাল্টি নিস সাইটের চেয়ে টপিকাল অথরিটি সাইট গুরুত্ব পাবে বেশি। কিন্তু সামনের দিনে E.A.T হয়ে যবে র‍্যাংকিংয়ের অন্যতম একটা ফ্যাক্টর…. 

লো কম্পিটিশন কিওয়ার্ড + সাইটের টপিকাল অথরিটি = $$$$$………………@Arman Vai.


অনেকেই নতুন সাইট শুরু করেছেন।

কিছু জিনিস সবারই মাথায় রাখা জরুরি।

১। আপনি সাইট শুরু করার পর, যত ভালো কন্টেন্টই দেন না কেন; গুগল কিছুদিন সময় নেয় সাইটের কিওয়ার্ডস গুলো পিক করতে। গুগল স্যান্ডবক্স বলতে একটা কথা আছে, যেটা আসলেই সত্যি। যদিও গুগল এটা অস্বীকার করে। সুতরাং প্রথম ৩-৪ মাসে কোন ধরনের ম্যাসিভ/মাইনর ইম্প্রভমেন্ট না দেখলেও কাজ করে যেতে থাকুন। সাফল্য আসবেই।

২। এক্স্যাক্ট ম্যাচ এঙ্কর ব্যবহার করা থেকে আপাতত কয়েকদিন বিরত থাকুন। গুগলের স্প্যাম ডিপার্টমেন্টের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাদেরকে সুস্থ এবং স্ট্যাবল হতে দিন। 🙂

৩। কন্টেন্ট পাবলিশিং, লিঙ্ক বিল্ডিং সব কিছুতে কন্সিস্টেন্সি বজায় রাখুন। ১ দিনে ১০ টা কন্টেন্ট পাবলিশ করে পরবর্তী ১ মাস বসে না থেকে, আগামী একমাসের কন্টেন্ট ২-৫ দিন পর পর শিডিউল করে রাখুন। কয়েকদিন আগে একটা সম্মেলনে, গুগলের John Mu কে একজন প্রশ্ন করেছিলো – আপনার কাছে বেস্ট এসইও টেকনিক কোনটি? তার উত্তর – Consistency.

সুতরাং অল্পতেই ঘাবড়ে যাবেন না।

ধৈর্য ধরে কাজ করতে থাকুন।

আপনি যেই প্রসেস শিখেছেন বা এপ্লাই করছেন; সেটাকে বিশ্বাস করে এগিয়ে যান।



আপনার হাতে যদি ব্লগে পাবলিশ করার মতো নতুন কোন আর্টিকেল না থাকে; তাহলে কি করবেন? 

– বসে বসে পুরনো আর্টিকেলগুলো আপডেট করুন। ইমেজ অথবা ভিডিও এড করুন, ২০০ থেকে ৪০০ নতুন ওয়ার্ড যোগ করুন, রিলেটেড পোস্টে ইন্টারনাল লিঙ্ক করুন। 

ঠিক এক সপ্তাহ পর ওই পোস্টের জন্যে টার্গেট করা কিওয়ার্ডের র‍্যাঙ্ক চেক করুন। 

আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা – কখনো কখনো নতুন পোস্ট পাবলিশ করার চেয়ে পুরাতন পোস্ট এডিট/আপডেট করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।