যে ১০টি ভূল নতুন রাইটারদের হতে পারে!

রাইটিং প্রফেশানটা লুক্রেটিভ কারন আপনি দিন শেষে যত টাকা ইঙ্কাম করুন না কেন সেটা ডলার এ রেট হবে যদিও টাকা আসে বিকাশে :P।

ধরুন বাড়ির পাশে মুদির দোকানে আয় হয় প্রতিদিন ১০০০ টাকা আপনি বলবেন আপনার আয় হয় ৫$ ওয়েব টু আর্টিকেল লিখে।

কিন্তু এই লুক্রেটিভ আয়ের পিছনে যে কত রাতের অক্লান্ত শ্রুম জড়িয়ে আছে একেকজন ওয়েল পেইড রাইটার দের তার ইয়াত্তা নেই।

তো মূল আলোচনায় আসি– যে ১০ টি বিষয়ে প্রফেশানালি ট্রেইন্ড আপ না হয়ে ক্লায়েন্ট কে হায় হ্যালো করবেন না সেই বিষয়ে। তার বিপরীতে- যে ১০ টি ভুল করা যাবে না।

আজ বলব যে ১০টি ভুল নিউবিদের জন্য হয়ে থাকেঃ

১) ওয়েব রাইটিং আর স্কুল কলেজের এসাইনমেন্ট এক নয়, যেমন এসাইনমেন্ট এ আপনি কিছু সিলি মিস্টেক করলে সেটা মানিয়ে নিয়ে একটা গ্রেড পেয়ে পাস করতে পারবেন কিন্তু ভাল ক্লায়েন্টের মন জয় করতে পারবেন না।আপনাকে জানতে হবে বেসিক অন-পেজ এস ই ও কি ?রচনা টাইপ আর্টিকেল না লিখে কনভারসেশন টাইপ একটা রিডার এংগেজমেন্ট লিখা কি করে লিখতে পারবেন?

) কপি করে আর্টিকেল জমা দেয়া মানে যত দ্রুত আপনি রাইটিং ইন্ড্রাস্টি তে পা দিলেন এর থেকে দ্রুত ঝাটা খেয়ে বিদায় নিতে চাইলে করতে পারেন।

৩) রাইটিং টোন ডেভেলাপ না করা: এই বিষয় নিয়ে যত বেশি বলতে যাব তত কম হয়ে যাবে।

আমার মতে রাইটিং টোন একদিনে ডেভেলাপ হবে না। ধরুন আপনি আর আপনার বন্ধু এক সাথে একই স্কুলে, কলেজে পড়াশুনা আর বেড়ে উঠা। আপনার বন্ধু ছোটবেলায় গারফিল্ডের কমিক্স পড়ত আর ইংরেজী কার্টুন দেখত, যেখানে নেটিভ দের মজার মজার কৌতুক ছিল আর সে সেই ্মজার বিষয়গুলো বুঝতে পারত। আর আপনি শুধু কার্টুন নেটওয়ার্ক দেখতেন কিন্তু খুব একটা বুঝতেন না। শেষের জন, দেখত মিনা কার্টুন।

এই তিনজনের মাঝে যে কমিক্স টাইপ বই পড়তে ভালোবাসতো আমি মনে করি তার পটেয়েনশিয়ালিটি ১০০/১০০ আপনার ৬০ আর শেষের জনের শূন্য।

তাহলে রাইটিং টোন একদিনে ডেভেলাপ হয় না এটি অনেকদিনের অভ্যাসের ফসল।

তবে রাইটিং টোন আসলে কি বুঝায়?

আসেন নিচের উদাহরনে চোখ বুলাই আর বুঝে নেই টোন কাকে বলে।

Example #1Father: “We are going on a vacation.”
Son: “That’s great!!!”– The tone of son’s response is very cheerful.

Example #2Father: “We can’t go on vacation this summer.”
Son: “Yeah, great! That’s what I expected.”– The son’s tone is sarcastic.

Example #3 “Yeah, your grades on this exam will be as good as the previous exams.”– The tone is pessimistic in this example.

Example #4“Can someone tell me what the hell is going on here?”– This has an aggressive tone.

তাহলে রাইটিং টোন হচ্ছে একটা এপ্রোচ যে এপ্রোচ আপনি আপনার কাছের মানুষ কে করবেন সেটা হয়তো যাকে অপছন্দ করেন তাকে করবেন না।

যেমনঃ আপনি এক গ্লাস পানি চাচ্ছেন সেটি দুই জন ভিন্ন মানুষের জন্য কি করে ভিন্ন হতে পারে?যখন মাকে বলছেন- Would you pass me that glass of water, mummy?

যখন আপনার ছেলে কে বলছেন- Little lad, just bring a glass of water for me.

মানে একজন কে অনুরোধ করছেন তো আরেকজন কে আদেশ।

এখন আবার ফিরে আসি নেটিভ টোন যা নিয়ে ক্লায়েন্ট এর নানা কথা। নেটিভ টোন বলতে আদৌ কিছু নেই এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারনা আরো বিস্তারিত জানতে হলে আমার আগের পোষ্ট এর কিছু অংশ তুলে দিলামঃ

আমার কাছে নেটিভ টোন মানে নির্দিষ্ট কোন ভাষার আঞ্চলিক সংস্করণ। যেমন ইংরেজী ভাষা ইউরোপ-আমেরিকা সহ আফ্রিকান কিছু দেশে মাদার লেংগুয়েজ হিসাবে পরিচিত।

নোয়াখালীর মানুষের নেটিভ টোন যেমন বরিশালের নেটিভ টোন থেকে আলাদা তেমনি আফ্রিকার টোন ও আমেরিকানদের থেকে আলাদা। ভাষা খুবই ডাইভারসিফাইড, একই ভাষার মানুষ রাও ভিন্ন ভাবে একই জিনিষ কে উল্লেখ করে। যেমন কোথাও মৌ তো কোথাও ঝোল।

আপনি শুনে অবাক হবেন সাউথ আফ্রিকায় ট্রাফিক লাইট কে বলা হয় রোবটস, তাছাড়া এমন আরো পার্থক্য আছে।

আমাদের দেশের কোন রাইটার যখন দাবী করে আমি নেটিভ টোনে লিখি বিষয়টা হাস্যকার মনে হয় আমার কাছে। মূলত নেটিভ টোনের বিষয়টা থেকে বের হয়ে আমাদের বলা দরকার আমাদের টার্গেট অডিয়েন্স কোন অঞ্চলের। তার থেকে বড় বিষয় হচ্ছে সার্চ ইন্টেন্ট সম্পর্কে বুঝতে পারা

৪) ওয়ার্ড ড্রাগিং— গুরুরা বলে একই বিষয় ত্যানা প্যাচানি।ধরুন ফুড ব্লগ নিয়ে লিখছেন–

When you climb up hundreds of feet go above up the heel, you feel exhausted. You wish to have a McDonalds nearby. Surprisingly, keeping a battery-operated hot plate electric burner will save your hurdle and give you mouthwatering dishes. This kind of portable hot plates will envy your neighbour as they won’t see such mouthwatering dishes।

বোল্ড করা লেখা গুলো বার বার আসছে –You/ your

এই সমস্যাটা কম বেশ অনেকেরই হয়। অনেকে It/which/this এগুলো বার বার লেখায় নিয়ে আসেন।

৫) ইরিলিভেন্ট আর্টিকেল– কুমিরের খাচ কাটা খাচ কাটা গল্প শুনেছেন নিশ্চয় ই? ঠিক এমন করে আর্টকেলে অপ্রাসাংগিক বিষয় নিয়ে আসা। এইটা হয় ২টি কারনে হয়তো রাইটার জানে না কিভাবে ভ্যালুএবেল ইনফোরমেশন এড করবে কিংবা সে তাড়াহুরায় ভালভাবে রিসার্চ শেষ করছে না।

৬) বড় সেন্টেন্স-– ভাই থামেন আপনি ইংলিশের জাহাজ এটা প্রুভ করতে জিমেটের হাই ভল্টেজ ভোকেবস আর জি আর ই এর কনফিউজিং সেন্টেন্স মেইকিং এর কোন মানে হয় না।

৭) এভ্রি আর্টিকেল ইজ এ নিউ জব এ নিউ এডভেঞ্জার। তাই আমি যা লিখবো সেটাই গ্রান্টেড হয়ে যাবে এমন চিন্তা ভাবনা থেকে বের হয়ে আসা।ক্লায়েন্ট প্রতিটি আর্টিকেল এখনো জাজ করেন, সত্যি বলতে আমি এটাই চাই কেউ ব্লাইন্ডলি যেন আর্টকেল না কিনে নেন যদিও এটা প্রতিবার এর জন্য আলাদা আলাদা করেই হউক না কেন।

8) গাধার মত খাটবেন না দিনে একটি সুইটেবল টাইম চুজ করুন যখন আপনি কাজের পরিবেশ পাবেন, আমার জন্য হোয়েন দ্যা মর্নিং ব্রেক্স এন্ড এভ্রিওয়ান স্লিপ্স উইথাউট মি এন্ড আর্লি বার্ডস।

৯) ক্লায়েন্টের সাথে বসুন বার বার বলুন কি করে তাকে আরো খুশি করা যায়। এমন কারো সাথে কাজ করুন যে ম্যাপিং করে মানে বুঝে আপনার কোন লিখায় কি সমস্যা হচ্ছে আরআপনাকে প্রশংসা করে–এটা টনিকের মত কাজ করে।

১০) এইটা আমি এডভান্স লেভেলের জন্য ইন্ডিকেট করছিঃ

খুবই কমন এবং ভ্যালিড একটা সমস্যা সেটা হচ্ছে আন-প্রফেশানাল এটিচিউড। প্রত্যেক্টা জবের আছে দায়বদ্ধতা তেম্নি আপনি কি লিখছেন, কোন ডাটা কালেক্ট করে লিখছেন, আদৌ কি যথাযথ ভাবে ফিচার গুলো রিসার্চ করে লিখছেন কিনা সেটা নিশ্চিত করা।

ডেডলাইন মিস করা খুবই কমন একটা বিষয় যদিও আমি এটাকে ফেটাল মনে করি না, রাইটার্স ব্লকের জন্য অনেক সময় রাইটার চাইলেও ভাল কিছু দিতে পারেন না বা সময় লাগে।

ফলাফল- ডেডলাইন মিসএই ভুলটা খুবই ম্যাসিভ লেভেলের ভুল আমি দেখেছি খুবই ভাল একজন রাইটার জেনে শুনে কম রিসার্চ করে বেশি প্রাইস হেকে নিচ্ছেন ক্লায়েন্ট থেকে।

আপনার ইমেইলে বাংলায় ইন্টারনেট মার্কেটিং এবং এসইও রিলেটেড লেটেস্ট খবর ও আপডেট পেতে চান? সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

Leave a Comment

Share via
Copy link