GPT 3 টুলস যেমন Conversion AI বা Nichesss দিয়ে কিভাবে লঙ ফর্ম কন্টেন্ট লেখা যায়? এবং কন্টেন্ট কোয়ালিটি নিয়ে একটা তুলনামূলক রিভিউ।

এখন GPT 3 টুলস এর একটা হিউজ ক্রেইজ চলছে বলা যায়। এই ক্রেইজটা বিশেষ করে যারা নেটিভ ইংরেজি ভাষাভাষীর নন, তাদের মধ্যে প্রবল। কারণ নিজে আর্টিকেল লিখা অনেক সময়ের ব্যাপার, স্কিলের ব্যাপার আবার আউটসোর্স করলে অনেক টাকার ব্যাপার। সুতরাং, অনেকেই এই ট্রেন্ডে গা ভাসাচ্ছেন। স্বাভাবিক ব্যাপার, তাই না? 

কিন্তু এই টুলস গুলো দিয়ে যেসব কন্টেন্ট জেনারেট হয়; সেগুলো কতোটা ইউজফুল বা কেমন কোয়ালিটি আর্টিকেল এইসব AI টুলগুলো বানাতে পারে? এইটা কিন্তু ভাবার বিষয়। কারণ, Conversion AI এর মাসিক প্রাইস ৯৯ ডলার আবার Nichesss এবং Copy.ai বা Copysmith এই টুলগুলোর দামও যে খুব কম সেটা নয় (Nicesss এর আবার লাইফটাইম ডিল আছে)। ৯৯ ডলার খরচ করে আমরা রাইটার দিয়ে ৩ টা ভালো মানের কন্টেন্ট পেতে পারি প্রত্যেকটা ২০০০ ওয়ার্ড করে। সুতরাং এইখানে, আপনার ইনভেস্টমেন্ট এবং সেটার আউটপুটটা অনেক বেশী মুখ্য। ৫০টা লো কোয়ালিটি কন্টেন্টের চেয়ে ৩ টা ভালো কোয়ালিটি আর্টিকেল অনেক বেশী মূল্যবান, তাই নয় কি? 

আবার যদি এমন হয় ৫০ টা ভালো মানের আর্টিকেল প্রডিউস করা গেলো এইসব টুল দিয়ে? তাহলে কিন্তু অভারল ইনভেস্টমেন্ট এর রিটার্নটা বেশ আশাব্যাঞ্জক হওয়ার কথা। 

ঠিক এইটার ডিসিশন নিতেই আমি Conversion AI এবং Nichesss দিয়ে একদম সেইম কন্টেন্ট আউটলাইন এবং ইনপুট দিয়ে দুইটা আর্টিকেল লিখেছি সেইম প্রোডাক্ট এবং ইনফো সেকশন এর উপর বেইজ করে। 

আমার কন্টেন্ট আউটলাইনটা ছিলো এমন – https://app.frase.io/doc/preview/a25a52a3120948dbbcd46f3d8d737968

এই আউটলাইন থেকে কিছু ইম্পোরট্যান্ট হেডার নিয়ে দুইটা টুল দিয়েই সেইম আর্টিকেল লিখেছি। এইখানে দেখতে পারেন –

ConversionAI দিয়ে লেখা কন্টেন্টঃ https://docs.google.com/document/d/17f90iFOqKHskOjiCE8c3Fzy3jfT_A6l0gu_RfTr-j98/edit?usp=sharing

Nichesss দিয়ে লেখা কন্টেন্টঃ https://docs.google.com/document/d/17iERXbrofENxqpTO_44pfObDQqsp1W5FkagCZ6rSkl4/edit?usp=sharing

ওকে, পুরা আউটলাইন রেডি করা, এবং দুইটা টুল দিয়েই পুরো কন্টেন্ট জেনারেশন এর প্রক্রিয়া এবং কন্টেন্ট নিয়ে আমার ব্যাক্তিগত মতামত (রেটিং), পাশাপাশি দুইটা টুলের ফিচার, সবকিছুই কভার করেছি এই ভিডিওতে – https://nshamim.com/nichess-vs-conversionai-review/

সুতরাং চলুন দেখে আসি আর কি কি আলোচনা করেছি ভিডিওতেঃ 

১। Conversion AI দিয়ে একটা আর্টিকেল লেখার পুরো মেথড। 

২। Nichesss দিয়ে একটা লঙ আর্টিকেল লেখার পুরো মেথড। 

৩। কিভাবে প্রথমেই আউটলাইন রেডি করবেন। 

৪। ঐ টুলগুলোর কোন কোন ফিচারগুলো আপনার সবচেয়ে বেশী কাজে লাগবে শুরু করার জন্যে। 

৫। অ্যামাজন থেকে একটা প্রোডাক্ট বের করে সেখান থেকে কিভাবে এই GPT 3 টুলস গুলাতে সঠিকভাবে ইনপুট দিবেন। 

৬। কপি চেক করবেন কিভাবে। 

৭। যেই কন্টেন্টটা লেখা হয়েছে সেই কন্টেন্ট এর জন্যে আমার রেটিং এবং কিছু ব্যাক্তিগত মতামত। 

৮। কন্টেন্ট গুলো কতোটা ইউজফুল এবং আমাদের সাইটে ইউজ করা যাবে কিনা – সেটা নিয়ে আমার মতামত। 

সারসংক্ষেপঃ 

আমাদের অ্যাফিলিয়েট কন্টেন্ট এ প্রচুর নাম্বার থাকে (প্রোডাক্টের ওয়েট, টুলস নাম্বারস, সাইজ); সুতরাং এইগুলো এই টুলগুলো এক্স্যাক্টলি দিতে পারে না। ইনফো কন্টেন্টে প্রচুর গোঁজামিল থাকে, যেগুলো আল্টিমেট ইউজারের জন্যে ইউজফুল না।

আপনি ওদের কন্টেন্ট যদি লাইন বাই লাইন এডিট করতে পারেন অথবা ফ্যাক্ট চ্যেকিং এর জন্যে আলাদা কাউকে হায়ার করতে পারেন বা নিজে সময় দিতে পারেন, তাহলে Nichess নিতে পারেন। এইটা আমার লিঙ্কঃ https://nshamim.com/nichesss (এইটা একটা লাইফটাইম ডিল, মানে ৫৯ ডলার দিয়ে একবার কিনে, লাইফ টাইম ইউজ করতে পারবেন।) 

Our Top Pick

Nichesss Lifetime Deal

  • Unlimited credits (no limitations)
  • Unlimited contents
  • Meta Description and Content Writing
  • Comparatively cheap than any other competitors like Conversion AI

আপনার দেয়া ইনপুট ও অনেক গুরুত্বপুর্ন একটা বিষয়। যতো ভালো ইনপুট দিবেন, ততো ভালো আউটপুট পাবেন। আমি nichesss এর কন্টেন্ট এ কয়েকটা ভালো ইনপুট এর নমুনা দেখিয়েছি। ভিডিওটা ভালো করে দেখে ফেলুন আবার। 

আর যদি হাতে বাজেট থাকে এবং অপেক্ষাকৃত কম সময়ে আর্টিকেল লিখাতে চান, তবে Conversion IO নিতে পারেন। এইটা আমার এফিলিয়েট লিঙ্কঃ https://nshamim.com/conversionai

মোদ্দা কথা হলো – এইসব টুলসগুলোকে মেচিউর হতে আরো অনেক সময় দিতে হবে। আপনি যদি রাইটার্স ব্লকে থাকেন, মানে কোথা থেকে শুরু করবেন যেটা মাথায় আসছে না এমন মনে হয় – তাহলে এইসব টুলস এর সাহায্য নিতে পারেন। তবে আপনার পিলার বা মানি কন্টেন্ট হিসেবে ইউজ করার উপযুক্ত এখনো হয় নাই বলে আমি মনে করি। 

কিছু জরুরী কথাঃ 

GPT3 দিয়ে কেউ লঙ ফর্ম লিখতে পারে না। ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ লিখতে পারে। Conversions IO দিয়েও আপনাকে ঐ ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ জেনারেট করেই নিতে হবে প্রত্যেক বার। মানে একটা কন্টেন্টে যদি ১০ টা সাব-হেডিং থাকে, তাহলে ১০ বার আপনাকে ইনপুট দিতে হবে এবং কন্টেন্ট জেনারেট করতে হবে।

Nicesss দিয়েও আপনি আলাদা আলাদা করে জেনারেট করে একসাথে করে একটা কন্টেন্ট বানিয়ে নিতে পারবেন। এইখানে জাস্ট কনভার্সন আইও এর মতো এডিটর নাই। কিন্তু প্রসেস সেইম। আপনাকে জাস্ট আলাদা করে সব ইন্ট্র একসাথে ওয়ার্ড বা নোটপ্যাডে নিয়ে একসাথে করতে হবে যেটা কনভার্সনে তাদের বিল্টইন এডিটর দিয়েই করতে পারেন। পুরো প্রসেসটা কিন্তু আমি ভিডিওতে দেখিয়েছি। 

GPT 3 কোম্পানিগুলো নিয়েও কিছু কথাঃ 

GPT 3 হচ্ছে OpenAI এর একটা আবিষ্কার। OpenAI এর পিছনে Elon Mask এর মতো বড় বড় জায়ান্টরা আছে – তাই এখনো এই টুলগুলো একদম বেবি পর্যায়ে থাকলেও একসময় এগুলোর সাহায্যে অনেক ভালো কিছু করা যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। যদিও দিল্লি অনেক দূর। 🙂 

আরেকটা বিষয় – GPT মডেলকে ট্রেইন করতে হয়। যারা ভালো ট্রেইন করতে পারে, যেসব কোম্পানি বা ডেভেলপার এই ট্রেইনিং এ বেশী সময় দেয় – তাদের সফটওয়ারের কন্টেন্ট আউটপুট বেটার হয়। 

আপনার ইমেইলে বাংলায় ইন্টারনেট মার্কেটিং এবং এসইও রিলেটেড লেটেস্ট খবর ও আপডেট পেতে চান? সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

Leave a Comment

Share via
Copy link