Last Updated on

আমাদের গ্রুপে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন হয় এবং আমি সেগুলোর ডিটেইল্ড উত্তর দেয়ার চেষ্টা করি। সেখান থেকে বেছে বেছে কিছু সেশন এই ব্লগে দেই যাতে করে আমজনতাও এনলাইটেন্ড হতে পারে আরকি 🙂

প্রশ্নগুলো করেছেন Muhammad Murad ভাই।

প্রশ্নগুলো ছিলো এমন –

১।আমি প্রাথমিক ভাবে ২০ টা কিওয়ার্ড ফাইনাল করেছি।তার মধ্যে ৯ টার গুগল ট্রেন্ডে ডাটা দেখাচ্ছে,বাকি ১১ টাতে বলছে “Hmm, your search doesn’t have enough data to show here.” কিন্তু মোটামুটি সবগুলারই ৬০/৭০ এর ওপর সার্চ ভলিয়ম আছে।এক্ষেত্রে কি করা উচিত? 

২।আমার দুইটা কিওয়ার্ড ” best mango under 1000″ ও “best mango under 2000 ” একটার সার্চ ভলিয়ম ৭০ আর আরেকটার ৩০০। SERP এর রেজাল্ট ও আলাদা । এক্ষেত্রে কি আলাদা কনটেন্ট দেব?

৩।আমি চাচ্ছি অনেক গুলা নিশ থেকে ভেরি লো কম্পিটিটিভ কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে,তবে একটা একটা করে । হতে পারে প্রথমে শুধু কিচেন এর আন্ডারের নিশ থেকে লো কম্পিটিটিভ নিয়ে কনটেন্ট দিলাম, সেটা হয়ে গেলে গার্ডেন থেকে কনটেন্ট দিলাম,তারপর টুলস থেকে,তারপর আরেকটা । এক্ষেত্রে কি কোনো সমস্যা হবে? যেমন প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে?

৪।যদি সমস্যা না হয় তাহলে আমার ডোমেইন টা কেমন হওয়া উচিত? যাতে ফিউচারে কনটেন্ট দেয়ার প্রচুর স্কোপ থাকে।

৫।কোথায় যেন পড়েছিলাম যে ক্যাটাগরি এমন ভাবে সাজানো উচিত যেন সাইটের হোম পেজ থেকে মাত্র তিন ক্লিকেই যেকোনো পোস্টে যাওয়া যায় । যেহেতু অনেক গুলো নিশ নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছি সেক্ষেত্রে আমার ক্যাটাগরি কিভাবে সাজাতে পারি?

৬।কয়েকদিন আগে আপনার একটা পোস্ট পড়েছিলাম কত ওয়ার্ড এর আর্টিকেল দেওয়া উচিত সেটা নিয়ে , সেখানে আপনি সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড কিভাবে পাওয়া যায় সেটা দেখিয়েছিলেন। আমার প্রশ্ন হচ্ছে সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড দিলে কি রাইটার কে এল এস আই ও দিতে হবে? আর কয়টা দেয়া উচিত সেকেন্ডারি আর এল এস আই মিলে ? 

৭।প্রডাক্ট সিলেকশনের ক্ষেত্রে আমার কম্পিটিটর যেই প্রডাক্ট নিয়েছে সেগুলো নিয়েই কনটেন্ট লেখেনো উচিত না আলাদা প্রোডাক্ট নেয়া ভালো ?

৮।যদি আমাজনের পাশাপাশি অন্য কোনো কোম্পানির এফিলিয়েট করতে চাই ,সেক্ষেত্রে কি কনটেন্ট দেয়ার সময় তাদের প্রোডাক্ট নিয়েও কনটেন্ট দেয়া উচিত ?না প্রথমে শুধু আমাজন নিয়েই শুরু করা উচিত ?

৯।আমি সাইটে যদি প্রথমে মানি আর্টিকেল দেই সেক্ষেত্রে গুগল সেটাকে কি খারাপ ভাবে নিবে ? আমি মানি আর্টিকেল দেয়ার পরেই ইনফো দিতে চাচ্ছি।

১০।৪০ টা মানি আর্টিকেল আর ১২০ টা ইনফো আর্টিক্যাল দিতে চাচ্ছি ৩ মাসের মধ্যে, সেক্ষত্রে কেমন সময় পর পর দেয়া ভালো হবে ? 

উত্তরসমূহ

১। এই ক্ষেত্রে কিওয়ার্ডগুলো নিয়ে কাজ শুরু করে দেয়া উচিত। গুগল ট্রেন্ড ব্যাসিক্যালি ট্রেন্ডী এবং বেশ ভালো সার্চ কিওয়ার্ডগুলো নিয়ে কাজ করে, সুতরাং আপনার টার্গেট কিওার্ডে ডাটা নেই। কাজ করেন সমস্যা নাই। 

২। হ্যাঁ আলাদা কন্টেন্ট দিবেন। কারণ আপনার ২০০০ ডলারের যেসব প্রোডাক্ট হবে, ১০০০ ডলারে কিন্তু সেইম প্রোডাক্ট হবে না। আপনার কন্টেন্ট বা রিভিউও কিন্তু ভিন্ন হবে। 

৩। হ্যাঁ সমস্যা হয়, হচ্ছে এবং হবে। আমি এইটা নিজে টেস্ট করে দেখেছি। আপনার হাতে যদি বড় কোন ইনভেস্টমেন্ট থাকে (কমপক্ষে ২০ হাজার ডলার), তবেই মাল্টি-নিশে যাবেন (কিছু এক্সেপশন আছে যদিও) । অন্যথায়, একটা নিশে স্টিক থাকুন। একটা নিসে সহজেই র‍্যাঙ্ক হবে সাইট এবং আর্নিংটাও তাড়াতাড়ি আসবে। 

৪। তিন নম্বার পয়েন্টটা আবার দেখুন। যদি স্টিল মাল্টিনিশ করার ইচ্ছে থাকে, তাহলে জেনেরিক, শর্ট একটা নাম নিন যাতে পরে সেইটা এক্সপান্ড করতে পারেন। 

৫। মেনু বারে সব ক্যাটাগরি রাখবেন, তাইলে তিন না, দুই ক্লিকেই যাওয়া যাবে 🙂 

৬। এলএসআই না, এই সেকন্ডারি কিওয়ার্ডগুলো এর উপর বেইজ করে কিছু লিখলে সেটা যদি আপনার কন্টেন্ট এর মান বাড়ায় এবং রিসোর্সফুল করে, তবেই ইউজ করবেন ঐ সেকন্ডারি কিওয়ার্ডগুলো। অন্যথায় দরকার নাই। 

৭। ঐ প্রোডাক্টই কভার করতে পারেন। তবে অ্যামাজন চেক করে দেখে নিবেন এর চেয়েও ভাল রিভিউ আর কোন প্রোডাক্ট এভেইলেবল আছে কিনা। 

৮। আপনি সেইম প্রোডাক্টেই দেখবেন অন্য কোন এফিলিয়েট প্রগ্রাম আছে কিনা। প্রথমেই ভিন্ন ভিন্ন প্রোগ্রামের আলাদা আলাদা প্রোডাক্ট কভার করার দরকার নেই। ধরুন আপনার নিস টুথব্রাশ। এই টুথব্রাশ অ্যামাজনেও পাবেন, আর ওয়ালমার্টেও পাবেন আবার আলি-এক্সপ্রেস এও পাবেন। সুতরাং, এই ধরনের প্রোডাক্টগুলোর ক্ষেত্রে মাল্টিপল এফিলিয়েট প্রোগ্রাম ইউজ করতে পারেন। 

৯। হা দেন। তবে, আমার ব্যাক্টিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে – ইনফো দিয়ে, সাইটে কিছু ট্রাফিক এনে তারপর মানি কন্টেন্ট দেয়া। গুগল রোবটকে বোঝাতে সুবিধা হয় যে – আমি এফিলিয়েট কমিশন বা টাকা কামাইতে আসি নাই, আর্টিকেল অথবা রিসোর্স শেয়ার করে মানুষকে হেল্প করতে আসছি। 

১০। প্রতিদিনই ৩-৪টা করে আরটিকেল রেগুলার দিয়ে যেতে থাকুন।